নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ব্রিটেনের ট্রেন স্টেশনগুলো দীর্ঘদিন ধরে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে আসছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাত্রীরা প্রতিদিন লাখ লাখ স্টেশন ব্যবহার করে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে স্টেশনগুলোর সেবা ও সুবিধা নিয়ে যাত্রীদের মতামত বিভিন্ন রকম।
পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশনটি সংস্কার করে আবার চালু করা হয়েছে। এই স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার ভিন্ন ভাষাভাষী ও জাতিসত্তার মানুষ চলাচল করে। এদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যাও অনেক। তাই এর নাম বাংলায় লেখার দাবি ছিল অনেক আগে থেকেই।
খুশির সংবাদ হচ্ছে বিভিন্ন জায়গা থেকে একই দাবি উত্থাপিত হওয়ায় ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন ইংরেজির পাশাপাশি বাংলায় স্টেশনের নাম লেখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে। তারা সকল পর্যায়ের কাজ শেষ করে হোয়াইটচ্যাপেল স্টেশনে ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা স্টেশনের নাম লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উল্লেখ্য বাংলায় এই নামকরণের জন্য সাপ্তাহিক জনমতও একটি ক্যাম্পেইন করেছিল। জনমত সম্পাদক সৈয়দ নাহাস পাশা বলেন, এটি নিঃসন্দেহে বড় অর্জন। এই প্রথম একটি স্টেশনের নাম লেখা থাকবে বাংলায়। এই বর্ণ যারা পড়তে পারেন না, তাদের কাছেও এই ভাষার শক্তি ও সামর্থের কথা পৌঁছে যাবে। নতুন প্রজন্ম আগ্রহী হবে বাংলা ভাষার প্রতি।
টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের খরচে এই নাম লেখা হবে এমন শর্ত জুড়ে দিয়েই ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন এই অনুমোদন দিয়েছে। মেয়র জন বিগস এই শর্ত মেনে নেয়ায় ভাষার মাসে এমন গর্ব করার মতো একটি ঘোষণা এলো।
যাত্রীদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, ব্রিটেনের ট্রেন স্টেশনগুলোর সেবার মান উন্নত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে স্টেশনগুলোকে আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
