
নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ভাড়াটে বাহিনী ভাগনার বেলারুশে পোলিশ সীমান্তের কাছে বেলারুশ সৈন্যবাহিনীকে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে এমন খবরে উদ্বিগ্ন পোল্যান্ড সীমান্তবাসী।
সীমান্তের কাছাকাছি গ্রামগুলোর মানুষজন বিমান এবং গোলাগুলির আওয়াজ শুনতে পায় প্রতিদিনই। তারা আতংকিত এবং শংকিত তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে।
ইউক্রেন – রাশিয়া যুদ্ধে রুশ বাহিনীর পাশাপাশি ভাড়াটে ভাগনার বাহিনী যুদ্ধ করলেও সম্প্রতি হঠাৎ করেই তারা রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর বিরূদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ ঘোষণা করে। পরবর্তীতে বেলারুশ প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেংকোর মধ্যস্থতায় এই বিদ্রোহ থামাতে রাজি হন ভাগনার বাহিনীর প্রধান ইয়েভজেনি প্রিগোজিন।
উল্লেখ্য, ইউক্রেন – রাশিয়া যুদ্ধের ফলে রাশিয়া এবং বেলারুশের মধ্যকার সম্পর্ক আরো গভীর হয়েছে বলে জানা যায় কারণ বেলারুশ ভূখণ্ড ব্যবহার করেই কিন্তু রাশিয়া ইউক্রেনের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয়।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেগুলোর মাধ্যমে জানা যায় যে বিদ্রোহ থামানোর পর ভাগনার বাহিনী এবং রুশ কতৃপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির ফলে ভাগনার বাহিনী তার হাজার হাজার সৈন্যকে বেলারুশে পাঠায় এবং সেখানে বেলারুশ বাহিনীকে তার পাঠানো সৈন্যরা প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। এবং এই ভাগনার বাহিনী পোলিশ সীমান্তের খুব কাছেই অবস্থান করছে বলে জানা যায়। এর ফলে পোল্যান্ডের সীমান্ত নিকটবর্তী গ্রামগুলোর বাসিন্দারা উদ্বেগ, শংকা ও আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
আবস্থা আরো সংঘাতময় হয়ে উঠে যখন গত মংগলবার পোল্যান্ড অভিযোগ করে যে বেলারুশের দু’টি সামরিক বিমান আকাশসীমা লংঘন করে তাদের সীমান্তে ঢুকে পড়ে। বিমানগুলো খুবই কম উচ্চতায় ওড়ার ফলে তা রাডারে ধরা পড়েনি বলেও জানায় দেশটি। এই অবস্থায় পোল্যান্ড সরকার সীমান্তে বাড়তি সৈন্য মোতায়েন করেছে বলেও জানা যায়।
অন্যদিকে বেলারুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় অভিযোগটিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে পালটা অভিযোগ জানিয়ে বলে যে এ সবই পোল্যান্ড সরকারের সীমান্তে বাড়তি সৈন্য মোতায়েনের ‘অজুহাত’ ব্যতীত ভিন্নকিছু নয়!
-331
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
