নবকণ্ঠ ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, এই অভিযানে ৫৩৮ জন অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ভেনেজুয়েলার কারা গ্যাংয়ের সদস্য এবং যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরাও রয়েছেন।
অভিবাসী ধরপাকড়ে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে স্কুল-গির্জা-হাসপাতালেও। সংবেদনশীল এই স্থানগুলোতে অভিবাসী আটক কার্যক্রমের ওপর থেকে এক দশকের বেশি সময়ের নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে ট্রাম্প প্রশাসন। এতে সেসব স্থানে ধরপাকড়ে আর কোনো বাধা নেই। এই সিদ্ধান্তে আতঙ্কিত অভিবাসীরা।
নিউ জার্সির নেওয়ার্ক শহরে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এজেন্টরা একটি কর্মস্থলে অভিযান চালিয়ে নথিপত্রহীন অভিবাসীসহ মার্কিন নাগরিকদেরও গ্রেপ্তার করেছে। নেওয়ার্কের মেয়র রাস বারাকা অভিযোগ করেছেন, এই অভিযানে একজন সাবেক মার্কিন সেনাকেও আটক করা হয়েছে, যা নাগরিকদের অধিকার লঙ্ঘন করছে।
এছাড়াও নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন এলাকায়ও অভিযান চালিয়ে চারজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই অভিযানের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অনেক বাংলাদেশি অভিবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে যারা নথিপত্রহীন অবস্থায় রয়েছেন, তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
এদিকে, সংবেদনশীল স্থানগুলোতে গ্রেফতারের অনুমতি দেয়ার ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে বলে সতর্ক করেছেন আইনজীবীরা। সেন্টার ফর ল অ্যান্ড সোশ্যাল পলিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এই পদক্ষেপের কারণে অভিবাসীদের পরিবার ও তাদের সন্তানের পাশাপাশি মার্কিন শিশুরাও মারাত্মক মানসিক চাপের সম্মুখীন হতে পারে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
