
নবকন্ঠ ডেস্কঃ সাম্প্রতিক সময়ে সুইডেনে বেশ কয়েকবার মুসলমানদের পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ আল কোরআন পোড়ানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ’র তীব্র নিন্দার মুখে পড়ে দেশটি।
কোরআন পোড়ানোর ঘটনার পরে গত ১৯ জুলাই ইরাকে সুইডেনের দূতাবাসে ভাংচুর চালানো হয়। গত ৯ আগস্ট লেবাননে অবস্থিত সুইডেনের দূতাবাসে হামলার চেষ্টা ও গত ১ লা আগস্ট তুরস্কে সুইডিশ কনসুলেটের এক কর্মীকে গুলি করার পর এবার সুইডেনে জংগি হামলার আশংকা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য সুইডেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে এক সতর্কবার্তা জারি করেছে যুক্তরাজ্য সরকার।
গত ১৩ আগস্ট, রবিবার, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে যে, যে কোনো সময় সুইডেনে জংগি হামলা হতে পারে এবং এই সম্ভাবনা আগের যেকোনো সময়ের চাইতে বেশি। সুইডেনে বিদেশিদের বেশি সমাগম হয় এরকম যেকোনো জায়গা এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
এ অবস্থায় সুইডেনের বিভিন্ন জনসমাগমস্থল ছাড়াও অন্যান্য সকল সার্বজনীন এলাকায় ব্রিটিশ নাগরিকদের অবস্থানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দেওয়া হলো।
যুক্তরাজ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা সর্বশেষ ভ্রমণ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে যে, কয়েকটি হামলার পরিকল্পনা সুইডিশ কতৃপক্ষ সফলভাবে ভেস্তে দিয়েছে ও সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটকও করেছে। তবুও জংগি হামলার জোর আশংকা থেকেই যাচ্ছে।
অন্যদিকে, সুইডেনের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের উপদেষ্টা হেনরিক ল্যান্ডারহোম এক বিবৃতিতে সুইডেন ছাড়াও বিদেশের মাটিতে সুইডেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও সুইডিশ নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছেন।
কারণ বিদেশে সুইডিশ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে হুমকির মাত্রা বেড়ে গেছে। তিনি তার বিবৃতিতে আরো জানান যে, সন্ত্রাসীদের নিকট সুইডেন এখন তালিকাভুক্ত অগ্রাধিকারের দেশে পরিণত হয়েছে যা নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতিকে নির্দেশ করে।
সম্প্রতি সুইডেনের এই কোরআন পোড়ানোর ঘটনায় লেবাননের হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি তার এক বিবৃতিতে তরুণ মুসলমানদেরকে যেকোনো মূল্যে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন।
-311
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

