
নবকণ্ঠ ডেস্কঃ পশ্চিম আফ্রিকার আঞ্চলিক ব্লক সামরিক হস্তক্ষপের পরিকল্পনা জানানোর একদিন পর ফ্রান্স গত শনিবার জানিয়েছে যে তারা নাইজারের সামরিক অভ্যুত্থানকে উল্টে দেওয়ার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে। গত ২৬ জুলাই নাইজারের ক্ষমতা দখল করে নেয় দেশটির সামরিক বাহিনী, যা গত তিন বছরের মধ্যে মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকায় সপ্তম বারের মত সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখলের ঘটনা।
ইকোনমিক কমিউনিটি অফ ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেটস (ইকোওয়াস) এর প্রতিরক্ষা প্রধানরা একত্রিত হয়ে পরিকল্পনা করেছেন যে যদি অভ্যুত্থানের নেতারা নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ বাজউমকে রবিবারের মধ্যে পুনরায় বহাল না করে তাহলে তারা সামরিক হস্তক্ষেপের আশ্রয় নিবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে চরম ইসলামপন্থীদের সাথে সংঘাতে জর্জরিত দেশটিতে নতুন এক সংঘাতের আভাস তৈরি হয়েছে।
এরই প্রেক্ষিতে ফ্রান্স পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথরিন কোলোনা প্যারিসে নাইজারের প্রধানমন্ত্রী ওহউমাউদু মহামাদু’র সাথে দেখা করার পর একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে ফ্রান্স এই অভ্যুত্থান প্রচেষ্টাকে পরাস্ত করার জন্য ইকোওয়াসের প্রচেষ্টাকে দৃঢ়তার সাথে সমর্থন করে। এ সময় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে নাইজারের ভবিষ্যত এবং সমগ্র অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
এদিকে ৫৯ বছর বয়সী অভ্যুত্থান নেতা জেনারেল আব্দুরহামানে তিয়ান জানিয়েছে যে তারা পিছু হটবে না। জান্তা বাহিনী এ পর্যন্ত পিছু হটেনি বলে জানা গেছে এবং নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি কে ক্ষমতায় পুনর্বহাল না করে ইকোওয়াসের আলটিমেটাম অমান্য করেছে তারা।
ফলে গত বৃহস্পতিবার ইকোওয়াস সদস্যরা নাইজারের সাথে সামরিক সংঘাতে যাওয়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বলে জানা গেছে। ইউরেনিয়াম ও তেল সমৃদ্ধশালী হওয়ার কারণে এবং জঙ্গিদের সাথে যুদ্ধে দেশটির অগ্রণী ভূমিকার কারণে, নাইজার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইউরোপ এবং রাশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
-311
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

