
নবকণ্ঠ ডেস্কঃ বৃটেনে কোভিড মোকাবেলায় হাজার হাজার মৃত্যু ঘটেছে বলে নতুন রিপোর্ট পাওয়া গেছে। শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন লক ডাউন আরোপ করতে যে অস্বাভাবিক বিলম্ব করেছিলেন, তার ফলেই এত মৃত্যু ঘটেছে বলে গত মঙ্গলবার এক সাংসদীয় প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়।
লকডাউন চালুতে দেরী করায় সে সময় বরিস জনসন বিশ্বব্যাপী সমালোচনার শিকারও হয়েছিলেন।
লকডাউন সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়ার ক্ষেত্রে খুব বেশী দেরী করেছিল পরামর্শদাতারা বলে হাউজ অব কমন্স ও হেলথ কমিটিজের যৌথ প্রতিবেদনে অভিযোগ করে বলা হয়, সাউথইস্ট এশিয়ার দেশগুলোও যেসব বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছিল, বৃটেন সেখানে সম্পূর্ণ উলটো পথে হেটে মারাত্মক পরিস্থিতিতে ফেলেছিল পুরো জাতিকে।
তবে অর্থনৈতিক ক্ষতি কমানোর জন্য লকডাউন এড়ানোর ইচ্ছে বরিস প্রশাসনের ছিল বলেও উল্লেখ করা হয়। যেহেতু বৃটেন সঠিকভাবে আক্রান্তদের আইসোলেশনের ব্যবস্থা করতে পারে নি, আবার পোর্ট ও বর্ডারগুলো পুরোপুরি বন্ধও করতে পারে নি তাই লকডাউনই বেশী প্রয়োজন ছিল।
মহামারী নিয়ন্ত্রণে বৃটিশ সরকারের এ ব্যর্থতা তদন্ত করে সামনে আনার একটিই উদ্দেশ্য রয়েছে বলে আইনপ্রনেতারা জানান, সেটি হল, ভবিষ্যতে যাতে বৃটেন এমন জরুরী সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারে। ৫০ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য নিয়ে গঠিত ১৫০ পৃষ্ঠার এ প্রতিবেদনে সাবেক স্বাস্থ্য সচিব ম্যাট হ্যানকক ও ডমিনিক কামিংস নামে প্রাক্তন সরকারের একজন উচ্চপদস্থ ব্যক্তির নাম রয়েছে বলে জানিয়েছে এপি।
বর্তমান ক্ষমতাসীন কনজার্ভেটিভ পার্টি, বিরোধী দলীয় লেবার পার্টি এবং স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির ২২ জন আইন প্রনেতা এটির অনুমোদন দিয়েছেন।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
