নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ইইউ রাশিয়াকে সতর্ক করে বলেছে যে, মস্কো যদি ইউক্রেন আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেয় তবে তারা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হবে। কারণ ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া প্রায় ১ লক্ষেরও বেশি সৈন্য জড়ো করেছে। যার ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা রাশিয়ার উপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক অর্থ স্থানান্তর সিস্টেম সুইফট থেকে রাশিয়ার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা সহ অলিগার্চদের উপর আরো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা নিয়ে ইইউ নেতারা আলোচনা করেছেন।
উল্লেখ্য, রাশিয়ায় অলিগার্চ তারাই যারা অত্যন্ত ধনী ব্যবসায়ী অথবা সম্পদশালী এবং সেইসাথে রাজনৈতিক ক্ষমতা ও রয়েছে।
তবে রাশিয়া ইতিমধ্যেই ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়াকে সংযুক্ত করার পর, পশ্চিমারা ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাশিয়ার উপর। যার মধ্যে রয়েছে অর্থ ও বাণিজ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা ও নানান বিধিনিষেধ এবং রাশিয়ান তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলিতে সহায়তার উপর নিষেধাজ্ঞা।
সায়েন্সেস পো-এর ভূ-রাজনীতির প্রভাষক আনাস্তাসিয়া শাপোচকিনা ফ্রান্স টোয়েন্টি ফোরের সাথে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, রাশিয়ার উপর এসব নতুন নিষেধাজ্ঞা খুব কমই প্রভাব ফেলবে বলে তিনি মনে করেন। কারণ তিনি মনে করেন যে, ২০১৪ সালের নিষেধাজ্ঞা সমূহও খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেনি বলে প্রমাণিত।
শাপোচকিনা আরো জানান যে, ইইউ রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে নিজের পায়েই গুলি চালাবে। কারণ টোটাল, এঞ্জি, আরেভা, ড্যানোনের মতো সংস্থাগুলি কয়েক দশক ধরে রাশিয়ায় প্রচুর বিনিয়োগ করেছে এবং সম্পর্ক ছিন্ন হলে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
