
এন আই মাহমুদঃ অর্থনৈতিক ভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পথে রাশিয়া, কিন্তু পশ্চিমা বিশ্বকে উলটো নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিল ক্রেমলিন!
জার্মানী সহ পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার উপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরো কঠিন করছে। কিন্তু সারা বিশ্বকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে উলটো রাশিয়ার পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন রাশিয়ার একনায়ক প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এর বরাতে জানা গেছে, রাশিয়া আমদানী নির্ভরতা কমিয়ে এনেছে, বিধায় পশ্চিমের দেয়া নিষেধাজ্ঞা তেমন ক্ষতি করতে পারবে না বলে বিশ্বাস করে রাশিয়া। উলটো তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি জানানো হয়।
এদিকে টানা চারদিন যাবৎ রাশিয়া সর্বশক্তি দিয়ে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইউক্রেনে। রাশিয়ার আক্রমনে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ২৪০ বেসামরিক ইউক্রেনীয় নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে ইউক্রেনের পরমানু প্রকল্প চেরনোবিলের দখল নিয়েছে রাশিয়া।
বিশ্ব জুড়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিন্দা ও সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। পুতিন ও সেরগেই ল্যাভরভের সম্পদ জব্দ করার বিষয়ে একমত হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন। রাশিয়ার জন্য বিশ্বের প্রধান আর্থিক পরিষেবা ব্যবস্থা সুইফট বন্ধ করা সহ অর্থনৈতিক ভাবে বিচ্ছিন্ন করার জন্য পদক্ষেপ নিচ্ছে জার্মানী ও পশ্চিমা দেশগুলো।
জাপান ও অস্ট্রেলিয়াও যোগ দিয়েছে এ রাশিয়ার বিরুদ্ধে নেয়া সম্মিলিত পদক্ষেপে। একের পর এক দেশ নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে আকাশপথে রাশিয়ার বিমান চলাচলে।
এ আক্রমনের বিষয়ে চুপ রয়েছে ভারত ও চীন। জাতিসংঘের তোলা নিন্দা প্রস্তাবে চুপ রয়েছে ইউএই, চীন ও ভারত। তবে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যাপারে চীনের আধা স্বায়ত্ত্বশাসিত অঞ্চল তাইওয়ান ‘গণতান্ত্রিক’ দেশগুলোর জোটে যোগ দেবে বলে ঘোষনা দিয়েছে।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এ যুদ্ধ দীর্ঘ হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যদিও রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় দেশই আলাদা বিবৃতিতে আলোচনায় বসার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
তবে ভেতরের খবর হল, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদেমির জেলেনস্কি কয়েকবার পুতিনকে ফোন করলেও পুতিনই সাড়া দেন নি। ইউক্রেনের পক্ষ থেকে শুধু আলোচনার ভেন্যু বেলারুশের মিনস্ক এর পরিবর্তে পোল্যান্ডের ওয়ারশোকে প্রস্তাব করা হয়েছিল।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
