
এন আই মাহমুদঃ ইউক্রেনে অস্ত্র ও মানবিক সাহায্য পাঠানোর ঘোষনা দিয়েছে ফ্রান্স সহ ২৫ টি দেশ। ইউক্রেন হামলায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি পশ্চিমা দেশগুলো অস্ত্র ও মানবিক সাহায্য পাঠানোর ঘোষনা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্সও। আল জাজিরার বরাতে জানা গেছে, আকাশে উৎক্ষেপণযোগ্য ৫০০ ক্ষেপণাস্ত্র এবং এক হাজার ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে জার্মানী। জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস এখন ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন।
এছাড়াও নেদারল্যান্ড ৫০টি প্যানজারফাস্ট-৩ ট্যাংকবিধ্বংসী অস্ত্র এবং ৪০০ রকেট পাঠাচ্ছে। তবে এসব অস্ত্র পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে কিছু জানানো হয় নি। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি’র সাহসী পদক্ষেপ ও ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। এদিকে আমেরিকা ৩৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্যের ঘোষনা দিয়েছে। এ সব উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ রাশিয়ার আক্রমনের তীব্রতা অনুযায়ী অবরোধ কঠিনতর করার ঘোষনা দিয়েছেন। রাশিয়ার জ্বালানী, অর্থনীতি ও বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তার প্রশাসন। ভ্লাদিমির পুতিনের সম্পদ জব্দ করছে ইউরোপীয় জোট। তবে সম্পদ কি পরিমান হতে পারে তা জানা যায় নি।
ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও জাপান। দেশ দু’টি রাশিয়ার বিমান তাদের আকাশ সীমায় চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে কার্যক্রম স্থগিত করেছে জাতিসংঘ।
যুক্তরাজ্যও রাশিয়ার বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে, তবে এর বিরুদ্ধে রাশিয়াও তাদের আকাশে যুক্তরাজ্যের বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে। লন্ডনের এ পদক্ষেপকে ‘অবন্ধু-সুলভ আচরণ’ বলে আখ্যায়িত করেছে পুতিন সরকার। পাল্টাপাল্টি বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞার কারণে উড়োজাহাজ নির্মান ও ব্যবস্থাপণা খাত ইতোমধ্যে ক্ষতির মধ্যে পড়েছে।
গত সপ্তাহর শেষের দিকে ইউক্রেনের দোনেত্স্ক ও লুহানস্ক শহর দু’টিতে ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তায় প্রথমে রাশিয়ার সেনা বহর প্রবেশ করে। রাশিয়া এ অঞ্চল দু’টি কে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ইউক্রেনকে রাশিয়ার অংশ বলে উল্লেখ করার পাশাপাশি সামরিক আক্রমন শুরু করে।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
