নবকণ্ঠ ডেস্কঃ চট্টগ্রামে মিয়ানমারের এক নাগরিকের (রোহিঙ্গা) বিরুদ্ধে শ্বশুরকে বাবার ছদ্মবেশে এবং শাশুড়িকে মায়ের মা সাজিয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট তৈরি করে জালিয়াতি করার অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া সেই পাসপোর্ট নিয়ে তিনি সৌদি আরবে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই রোহিঙ্গার নাম আব্দুল আজিজ।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার ১ নম্বর বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনাটি বেশ জটিল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। আব্দুল আজিজের আসল পরিচয় এবং মিথ্যা অজুহাতে বাংলাদেশী জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রাপ্তি সহ তার প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে উদ্ঘাটন অবশ্যই স্থানীয়দের তোলপাড় করেছে।
আরো পড়ুনঃ
মেডিকেল পরীক্ষার নামে চরম ভোগান্তির শিকার বিদেশগামীরা
চাকরি করতে গিয়ে স্থায়ী হওয়া যায় যেসব দেশে
ইউনিয়ন পরিষদকে জানানো হলেও কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ জানান এলাকাসীরা। এই ধরনের অবহেলা সমস্যাগুলিকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং স্থানীয় শাসনের প্রতি আস্থা নষ্ট করতে পারে।
আব্দুল আজিজের সিস্টেমকে ম্যানিপুলেট করার এবং একটি মিথ্যা পরিচয় অনুমান করার ক্ষমতা প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলির ফাঁকগুলি হাইলাইট করে এবং অভিবাসন এবং নাগরিকত্ব যাচাই পদ্ধতির কার্যকারিতা সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করে। ভবিষ্যতে অনুরূপ ঘটনা রোধ করতে এবং নাগরিকত্বের রেকর্ডের অখণ্ডতা বজায় রাখতে কর্তৃপক্ষের জন্য এই দুর্বলতাগুলিকে অবিলম্বে মোকাবেলা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সামগ্রিকভাবে, এই পরিস্থিত নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় শক্তিশালী শাসন, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতাকে আরো জাগ্রত করা উচিত।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রোহিঙ্গা আবদুল আজিজের শ্বশুর মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, তার মেয়ের জামাই মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট বানিয়ে সেৌদি আরবে পালিয়েছে। সে এখন বাংলাদেশে থাকা তার স্ত্রী ও তিন সন্তানের খোঁজ খবরও নেয় না।
বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সদস্য আবু বকর বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। হয়তো জাতীয় পরিচয়পত্রটি আমাদের সময়ের নয়, আগের ইউপি সদস্যের আমলের। পাসপোর্ট আমাদের সময়ে তৈরি করেছে। পাসপোর্ট তৈরির সময় কেউ আমাদের কাছ থেকে তথ্যের সত্যতা জানতে আসেনি।
বিষয়টি জানতে লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
