বাজেটকে স্বাগত জানালেন ফ্রান্স বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজা

বাজেটকে স্বাগত জানালেন ফ্রান্স বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজা

নবকণ্ঠ ডেস্ক: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ফ্রান্স বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রেজাউল করিম রেজা। তিনি বাজেটটিকে জনমুখী, বাস্তবসম্মত এবং দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপরেখা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

১২ জুন, ২০২৬ তারিখে ফ্রান্স থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল আকারের এই বাজেট দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় নতুন গতি সঞ্চার করবে। এ উপলক্ষে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত ওই বিবৃতিতে মোহাম্মদ রেজাউল করিম রেজা বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির বিভিন্ন খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে এই বাজেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাঁর মতে, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর পুনর্গঠনের জন্য বাজেটে বেশ কিছু সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বিশেষভাবে রপ্তানিমুখী শিল্প, তৈরি পোশাক খাত এবং উৎপাদনশীল খাতের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে অগ্রিম কর ও উৎসে কর হ্রাসের প্রস্তাবকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। এসব উদ্যোগ দেশের শিল্পায়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রসারে সহায়ক হবে বলে তিনি মনে করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ এবং বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের জন্য অবসরে গ্র্যাচুইটির প্রস্তাব সরকারের জনকল্যাণমুখী ও সামাজিক নিরাপত্তাভিত্তিক নীতির প্রতিফলন। এসব পদক্ষেপ কৃষক, শ্রমজীবী ও চাকরিজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মোহাম্মদ রেজাউল করিম রেজা বলেন, বাজেটে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ওপর করের চাপ কমানোর যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে এটি অর্থনীতিতে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতেও ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন যে, জনবান্ধব এই বাজেটের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল সাধারণ জনগণের কাছে পৌঁছে যাবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ কাঙ্ক্ষিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথে আরও এগিয়ে যাবে এবং দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি নতুন শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে সক্ষম হবে।

বিবৃতির শেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে দেশের সার্বিক উন্নয়ন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জনগণের কল্যাণ কামনা করেন।

 

 

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *