
এন আই মাহমুদঃ গত শনিবার প্যারিসে চীনের উইঘুর সম্প্রদায়ের অমানবিক শ্রমে উৎপাদিত পন্য নিষিদ্ধ করার দাবীতে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। ইইউ এর প্রতি জানানো এ দাবীকে সমর্থন জানিয়ে রিপাবলিক স্কয়ারে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা।
অবশ্য এক প্রশ্নের জবাবে ইইউ পার্লামেন্ট সদস্য রাফায়েল গ্লুকসম্যান বলেন, ইইউ আগে থেকেই উইঘুরে চাপিয়ে দেয়া শ্রমে উৎপাদিত পণ্য নিষিদ্ধ করতে আগ্রহী। তবে এক্ষেত্রে বড় বাধা হল ইউরোপিয়ান কিছু কোম্পানী, যাদের চাইনিজ পন্যে অনিয়ন্ত্রিত লোভ রয়েছে।
চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে কার্যত ক্যাম্পবন্দী উইঘুর সম্প্রদায়ের উপর বেইজিং এর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। আর এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে ইইউ এর প্রতি চাপ ক্রমাগত বাড়ছে।
এর আগে অবশ্য ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেন এক ঘোষনায় এসব পণ্য নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে মানবাধিকার লঙ্ঘনে সহায়তা বন্ধের ঘোষনা দেন।
তবে আসল ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়ে গ্লুকসম্যান বলেন, আশ্চর্যের ব্যাপার হল এ ধরণের পদক্ষেপ নিতে গেলে যত না চাইনিজ প্রতিনিধিদের সম্মুখীন হতে হয়, তার চেয়ে বেশী বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় ইউরোপিয়ান কোম্পানী প্রতিনিধিরা! এ কোম্পানীগুলোই এখন “বৃহত্তর চাইনিজ” এম্বাসীর ভূমিকায় দাঁড়িয়ে গেছে।
জাতিসংঘের রিপোর্ট মোতাবেক, কমপক্ষে ১০ লাখ উইঘুর কে “প্রশিক্ষন ক্যাম্প” এ গোপনে বন্দী করে রাখা হয়েছে।
চীন অবশ্য “ইসলামিক জঙ্গীবাদ” দমাতে “প্রশিক্ষন ক্যাম্প” গুলো স্থাপন করা হয়েছে এমন দাবী করে সকল অভিযোগ শুরু থেকেই প্রত্যাক্ষান করে আসছে। উইঘুর সম্প্রদায়ের বেশিরভাগই মুসলিম। কিছু মানবাধিকার সংস্থা চীনের বিরুদ্ধে জিনজিয়াং এ সংখ্যালঘু দের উপর মানবাধিকার লঙ্ঘণের অভিযোগ করে আসছে।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
