নবকণ্ঠ ডেস্কঃ সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরবিচ্ছিন্ন জেট ফুয়েল সরবরাহ হুমকির মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক এই বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ করতে যেয়ে কাটা পড়েছে জ্বালানি ডিপোর পিএলসি সিস্টেমের অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ( ওএফসি )।
এদিকে, উন্মুক্ত হয়ে পড়েছে বিমানবন্দরটির জেট ফুয়েল সরবরাহের হাইড্রেন্ট লাইনও। আর এতে সেখানকার আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। তবে বিমানবন্দর কতৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছে যে, কয়েকদিনের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এবং বিকল্প ব্যবস্থা থাকাইয় ফ্লাইট বন্ধ হওয়ারও কোনো আশংকা নেই।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নতুন টার্মিনাল নির্মান, রানওয়ে সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের কাজের অংশ হিসেবে অ্যাপ্রোন বর্ধিত করার সময় এক্সকেভেটর দিয়ে মাটি খনন করতে গিয়ে পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড পরিচালিত জেট এ – ১ হাইড্রেন্ট লাইনটি উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।
এছাড়াও, ডিপোর পিএলসি সিস্টেমের ওএফসি ক্যাবলও কাটা পড়ে। এদিকে, এ ঘটনায় পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষ হতে সতর্কতার সহিত বাকি কাজ সম্পন্ন করার জন্য চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। নতুবা পাইপ লাইনের লেভেল পরিবর্তন হয়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এ বিষয়ে বিমানবন্দরটির পরিচালক হাফিজ আহমদ জানান যে, এটি বড় কোনো ঘটনা নয়। হাইড্রেন্ট লাইন উন্মুক্ত হয়ে যাওয়ার ফলে কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি এবং জ্বালানি সরবরাহেও কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
তবুও যদি কোনো কারণে জ্বালানি সরবরাহ যদি বন্ধ হয়েও যায়, তবে সেক্ষেত্রে ট্যাংক-লরি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ করারা মত বিকল্প ব্যবস্থা ও আছে বলে জানান তিনি। যখন ওসমানী বিমানবন্দরে রিফুয়েলিং এর ব্যবস্থা ছিলো না তখনো ফ্লাইট ওঠা নামা করেছে বলে জানান তিনি। তাই এ ঘটনায় ভীতির কিছু নেই বলে আশ্বাস দেন পরিচালক হাফিজ আহমদ।
-311
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

