নবকণ্ঠ ডেস্কঃ রমজানের শুরু থেকেই দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইফতার মাহফিলের প্রোগ্রাম সহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রোগ্রামে একের পর এক বাধা। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার সেটা নোটিশ দিয়ে বন্ধ করা হচ্ছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কুরআন শিক্ষার প্রোগ্রাম, ইফতার মাহফিল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের খোলা জায়গায় নামাজ পড়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি মহলের পক্ষ থেকে উঠছে তীব্র আপত্তি। ইতোমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ভবনে কুরআন শিক্ষা কার্যক্রম চলাকালে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের দ্বারা হামলার স্বীকার হয়েছেন কয়েকজন ছাত্র। এমনকি কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে তারাবীর জামাত আয়োজনে বাঁধা প্রদানের ঘটনা ঘটেছে।
এমন ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে নতুন অনুষঙ্গ হিসেবে চোখে পড়ছে নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইফতার মাহফিলের পোগ্রাম।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ছবিতে দেখা যায়, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪ সালের ইফতার মাহফিলের ব্যানারে লেখা “বার্ষিক দোয়া মাহফিল ২০২৪”। অথচ ২০২৩ সালের ইফতার মাহফিলের ব্যানারে লিখা ছিল “দোয়া ও ইফতার মাহফিল ২০২৩। উক্ত ছবি দুটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় নেটিজেনদের অনেকেই উষ্মা প্রকাশ করেছেন। এমন কি ভয়ের কারণে তারা এই পরিভাষাগুলো এড়িয়ে যেতে চাইছেন? যেখানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হচ্ছে অথচ ইফতার শব্দটিই উপেক্ষিত হচ্ছে ।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হয়ত কোন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কোন চাপের কাছে নতি স্বিকার করতে বাধ্য হচ্ছে কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এর মধ্যও কি এমন কিছু ঘটছে। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন যে, কোন অজানা ভয়ে সংকুচিত নর্থ-সাউথ এর ইফতার মাহফিল?
তবে এতকিছুর ফল হচ্ছে উলটো। লক্ষ্য করা গেছে যে, এসবের বিপরীতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ গুলোতে ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক আয়োজনে ইফতার ও সেহরীর আনুষ্ঠানিকতার হার ব্যাপক ভাবে বেড়েছে। কিছুদিন আগেও যারা সেহরি ইফতারের আনুষ্ঠানিকতাকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখতেন তারাও এখন উলটো ভাবতে শুরু করেছেন। সেই সাথে অবশ্য বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশঙ্কাও কিছুটা বেড়েছে।
-191
