
নবকণ্ঠ ডেস্কঃ সম্প্রতি গত ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ থেকে বিরোধী দলের উপর বর্তমান অবৈধ সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন ও বর্বরোচিত হামলা, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পরবর্তী পাক হানাদার বাহিনীর বর্বরতাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী যেমন অত্যাচার, নির্যাতন ও গ্রেফতারে শান্তি কমিটির সহযোগিতা নিতেন, ঠিক একই কায়দায় বর্তমান অবৈধ সরকারের আজ্ঞাবহ পুলিশ প্রশাসন স্থানীয় আওয়ামী কমিটির সহযোগিতায় বিরোধীদলের উপর এই হত্যাযজ্ঞ, নির্যাতন, নিপীড়ন ও গণগ্রেফতার চালিয়ে যাচ্ছে।
বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ অন্যানজ হাজার হাজার নেতা-কর্মীকে এই অত্যাচার, নির্যাতন ও গণগ্রেফতারের প্রতিবাদে “আলোচনা ও প্রতিবাদ সভার” আয়োজন করে মনফালকনে, গরিঝিয়া শাখা ইতালি বিএনপি।
তাৎক্ষণিকভাবে আয়োজিত এই প্রতিবাদ ও আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মোস্তাক। সভাটি পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হামীম হোসাইন।
উক্ত প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন মনফালকনে, গরিঝিয়া শাখা ইতালি বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জনাব ফরিদুল ইসলাম আনিস, উপদেষ্টা এম এইচ কবির, রকিব ইলিয়াস, জামাল মিয়া, হান্নান মিয়া ও সুহাগ মোল্লা।
এছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ জিয়াউর রহমান খান সোহেল, সহ সভাপতি ইদ্রিস হাওলাদার, এমডি মিজানুর রহমান খান, মিয়া মাসুম, আতাউর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন খন্দকার, সহ সাধারণ সম্পাদক সুমন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক রহমান, দেলোয়ার হোসাইন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমেদ, সহ অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জিল্লু মিয়া এবং মুক্তিযোদ্ধা ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ওমর ফারুক হোসেন।
তারা সকলেই বর্তমান অবৈধ সরকারের স্বৈরাচারীমূলক কর্মকান্ড, দমন-নিপীড়ন ও গণগ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং মনোবল না হারিয়ে দলের সবাইকে এর বিরুদ্ধে একজোট হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক সহ সভাপতি মামুন মিয়া, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জহির ইসলাম, সদস্য ও যুবদল নেতা শাহপরান খন্দকার, নাসির লতিফ এবং যুবদলের অসংখ্য নেতাকর্মী।
সভায় আগামি ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে পূর্ব প্রস্তুতিমূলক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করা হয়।
পরিশেষে, সংগঠনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মোস্তাক তার জ্বালাময়ী বক্তব্যের মাধ্যমে সভা সমাপ্ত করেন।
-311
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
