
এন আই মাহমুদঃ মাল্টায় বাংলাদেশী কমিউনিটির উন্নয়নে যে সকল বাংলাদেশীরা সর্বোচ্চ অবদান ও ভূমিকা রেখেছেন তাদের সম্মাননা দিয়েছে ইউরোপিয়ান প্রবাসী বাংলাদেশী এসোসিয়েশন -ইপিবিএ। দেশটির অভিজাত হোটেল গোল্ডেন টিউলিপ ভিভালদিতে আয়োজিত এক সভায় এ সম্মাননা প্রদানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাল্টা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আপেল আমিন কাউসার।
দপ্তর সম্পাদক আবু তাহিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শুরুতে পবিত্র কুরআন ও গীতা পাঠ করা হয়। এর পর জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন শেষে অনুষ্ঠানের মূল পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
শুরুতে উপস্থিতির উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন জনাব আপেল আমিন কাউসার।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইপিবিএ এর মহাসচিত ইঞ্জিনিয়ার ওসমান হোসেইন মনির, সহ-সভাপতি ডা. খলিলুল কাইয়ুম, সহ-সভাপতি জিকু বাদল, মাল্টার কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ডা. এস বি দাস, ইপিবিএ ফ্রান্স শাখার সভাপতি ফারুক খান, ইপিবিএ কার্যকরী কমিটির সদস্য লায়লা শাহ, ইপিবিএ ফ্রান্স এর সেক্রেটারী শাহাদত হোসেন সাইফুল, মাসুদুর রহমান তুহিন, শাহরিয়ার শাকু, মনোয়ার ক্লার্ক, অল ইউরোপিয়ান প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী বকুল খান, হেলাল আহমেদ। এ সময় মালটা প্রবাসীদের সমস্যাদি তুলে ধরেন মাল্টা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব দাস।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে মাল্টার এক সময়ের বিক্ষিপ্ত ও ছোট কমিউনিটিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে আজকের পর্যায়ে যারা নিয়ে এসেছেন তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ছোট-বড় প্রতিটি সামাজিক কাজের সুদূর প্রসারী প্রভাব রয়েছে। যার সুফল আজ আমরা ভোগ করছি তা আসলে সম্মানিত ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রম ও ত্যাগের ফল। তিনি একই ধারায় বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশীদের জাতীয় আদর্শকে সমুজ্জ্বল রেখে কমিউনিটির উন্নয়নে সবাইকে সাধ্য মোতাবেক কাজ করার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে মনোনীত ব্যক্তিদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন ইপিবিএ নেতৃবৃন্দ।
কমিউনিটির সেবায় দেয়া শ্রম ও ত্যাগের কোনো প্রতিদান দেয়া সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, এ অনুষ্ঠানের আয়োজন শুধুমাত্র তাদের প্রতি সম্মান জানানোর একটি চেষ্টা ও দৃষ্টান্ত মাত্র। প্রকৃত পক্ষে মাল্টা নিবাসী বাংলাদেশী প্রবাসীরা তাদের কাছে ঋনী হয়ে থাকবে।
এদিকে মাল্টা-প্রবাসী বাংলাদেশীদের কুটনৈতিক, ভিসা ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা দীর্ঘদিন ধরে সমাধানের মুখ দেখছে না একটি স্থায়ী দূতাবাসের অভাবে। অনুষ্ঠানে মাল্টা প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবী- বাংলাদেশের একটি স্থায়ী দূতাবাসের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্ঠি আকর্ষণ করেন বক্তারা।
যেহেতু মাল্টার সাথে কোনো দেশের বর্ডার নেই, তাই পাসপোর্ট, ট্রাভেল ডকুমেন্ট ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘ কালক্ষেপণ করেও কাঙ্খিত সেবাটি পাওয়া সম্ভব হয় না বলে জানা গেছে।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
