
নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কে হতে যাচ্ছেন ম্যাঁখো’র প্রতিদ্বন্দী তা নিয়ে চলছে হিসাব নিকাশ।
চ্যালেঞ্জ ম্যাগাজিনের জন্য হ্যারিস ইন্টারএক্টিভের করা এক জনমত জরিপ অনুযায়ী এ বছরের নির্বাচনে ম্যাখোঁই সম্ভাব্য বিজয়ী। দেখা গেছে যে, ম্যাখোঁর কোভিড-১৯ নীতির সমালোচনা হওয়া স্বত্ত্বেও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তার চেয়ে পিছিয়ে আছেন নির্বাচনি দৌঁড়ে।
গত ডিসেম্বরে, ফ্রান্সের কনজার্ভেটিভ পার্টি ম্যাখোঁর বিপরীতে চ্যালেঞ্জ হিসেবে ভ্যালেরি পেকখেসকে প্যারিস অঞ্চলের মডারেট চিফ হিসেবে মনোনয়ন দেয়। পেকখেস এ যাবৎকালের একমাত্র মহিলা প্রেসিডেন্ট প্রার্থী যিনি চরমপন্থী এরিক সিওতি’র বিপরীতে মধ্যমপন্থী কণ্ঠস্বরের ভূমিকা রাখবেন।
তবে পেকখেসি তার নির্বাচনী ইশতেহারে ইউরোপের বাইরের অভিবাসীদের জন্য দেয়া রেসিডেন্স পারমিট অর্ধেকে নামিয়ে আনার ঘোষনা দিয়েছেন। এছাড়াও বিচারিক প্রক্রিয়া অত্যন্ত কঠিন করা সহ, স্কুলগামী বাচ্চাদের সাথে থাকা মুসলিম মহিলাদের হিজাব পরা নিষিদ্ধ করার কড়া ঘোষনা দিয়ে তিনি নিজেও কট্টরপন্থী হিসেবেই নিজেকে উপস্থাপন করেছেন।
আশার কথা হল, জরিপে দেখা গেছে, ম্যাখোঁ নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে ২৪ শতাংশ ভোট পাবেন। কিন্তু উগ্র ডানপন্থী রাজনীতিবিদ মারি লো পেন, এরিক জেমুর এবং রক্ষণশীল পেকখেস সকলেই পড়ে থাকবেন ১৬ শতাংশের ঘরে।
জরিপে বলা হয়েছে যে ম্যাখোঁ এপ্রিলের রান-অফ ভোটে জয়ী হবেন, যদি তিনি পেকখেসের মুখোমুখি হন তবে ৫১-৪৯% ব্যবধানে, লো পেনের বিরুদ্ধে ৫৫-৪৫% এবং জেম্মুরের বিরুদ্ধে ৬১-৩৯% ভোট পাবেন।
জরিপ অনুযায়ী, রক্ষণশীল প্রতিদ্বন্দ্বী ভ্যালেরি পেকখেস এই নির্বাচনের দ্বিতীয় রাউন্ডে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর কাছাকাছি থাকতে পারেন যদি তিনি প্রথম রাউন্ডে অতীতের ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বীদের চাপে ফেলতে পারেন।
ফ্রান্সে দুই দফায় ভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফায় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া দুই প্রার্থী দ্বিতীয় দফার ভোটে অংশগ্রহণ করেন।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
