নবকণ্ঠ ডেস্কঃ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে নিয়ে লন্ডনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছে ‘বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স’। রাত সাড়ে ১১টায় ভিআইপি টারমিনাল ঢাকা ছাড়ে এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি।
এর আগে রাত পৌনে ১১টার দিকে ৮ নম্বর গেইট দিয়ে শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রবেশ করে খালেদা জিয়ার গাড়ি। কিছু আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি ১১টা ১০ মিনিটে কাতারের আমিরের পাঠনো বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ওঠেন।
পথে পথে হাজারো নেতাকর্মীদের বিদায়ী শুভেচ্ছার মধ্যে তার গাড়ি বহর বিমানবন্দরের দিকে এগিয়ে যায়। গুলশানে তার বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে বিমানবন্দরের পথটুকু যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টার বেশি। রাত ৮টা ১৬ মিনিটে গুলশানের বাসা ফিরোজা থেকে রওনা হওয়ার পর গুলশান অ্যাভিনিউ, গুলশান-২, বনানী কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ, কাকলী দিয়ে বিমানবন্দর সড়কে উঠতেই পেরিয়ে যায় এক ঘণ্টার মত।
এসব সড়কে হাজার হাজার নেতাকর্মী তাকে শুভেচ্ছা জানাতে সড়কের দুই পাশে জড়ো হয়েছিলেন। সড়কজুড়ে যানজট তৈরি হওয়ায় তার গাড়ি বহর চলেছে ধীর গতিতে। যে কারণে নির্ধারিত সময় রাত ১০টায় তার ফ্লাইট রওনা হতে পারেনি।
পরে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো বিশেষ উড়োজাহাজে করে তিনি লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতার জেনে রাজকীয় বহরের এ বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছিলেন কাতারের আমির, যা সোমবার রাত সাড়ে ৭টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছায়।
দলের চেয়ারপারসনকে বিদায় জানাতে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের গাড়ি ৮ নং গেট দিয়ে সরাসরি ভিআইপি টারমার্কে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের সামনে পৌঁছে। সেখানে মহাসচিবসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা অ্যাম্বুলেন্সের সামনে দাঁড়িয়ে দলীয় প্রধানকে বিদায় জানান।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক জাহিদ হোসেন বলেন, ‘‘ঢাকা থেকে প্রথমে দোহায় যাবে অ্যাম্বুলেন্সটি। সেখানে যাত্রাবিরতি শেষে লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।”
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
