নবকণ্ঠ ডেস্কঃ যদি কোনো প্রবাসী অনুমতি ছাড়া হজ পালন করতে ধরা পড়ে, তাহলে তাকে দেশে ফেরত পাঠাবে সৌদি আরব। সৌদি আরবের সরকার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে যেন কেউ অনুমতি ছাড়া হজ পালন করতে না পারে। বিশেষ করে প্রবাসীদের ক্ষেত্রে এই নিয়মটি আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।
সৌদি আরব ঘোষণা দিয়েছে এবার অনুমতি ছাড়া কাউকে হজ করতে দেওয়া হবে না। অনুমতি ছাড়া কেউ মক্কা, পবিত্র স্থান, হারামাইন ট্রেন স্টেশন, নিরাপত্তা চৌকি, স্ক্রিনিং সেন্টার এবং অস্থায়ী চেকপয়েন্টগুলোর কাছে যেতে পারবেন না।
অনুমতি ছাড়া কোনো নাগরিক বা বিদেশি পর্যটক হজ পালন করতে যান তবে তাদের ১০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৩ লাখ ১২ হাজার টাকারও বেশি। এ ছাড়া অনুমতি ছাড়া কেউ যদি হজযাত্রীদের পরিবহন সুবিধা দেয় ছয় মাসের জেল ও ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হবে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৫ লাখ টাকারও বেশি।
এই ধরনের কঠোর পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হলো হজ ব্যবস্থাপনার শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করা। হজের সময়ে অতিরিক্ত ভিড় এবং নিরাপত্তার জন্য এই পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে। হজ পালনের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও নির্দেশিকা মেনে চলা জরুরি, এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং নিবন্ধন করতেই হবে।
সৌদিতে যেসব প্রবাসী বসবাস করেন তারা যদি অনুমতি ছাড়া হজ করতে যান এবং আটক হন তাহলে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে এবং নির্দিষ্ট একটি সময়ের জন্য আর সৌদিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। এ ছাড়া অনুমতি ছাড়া যারা হজযাত্রীদের পরিবহণ করবে তাদের প্রথমে জেলে পাঠানো হবে। সেখানে তাদের ছয় মাস আটকে রাখা হবে। এরপর ফেরত পাঠানো হবে নিজ দেশে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

