নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ইউরোপে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় জার্মানিকে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস। তিনি বলেন, জার্মানির সশস্ত্র বাহিনী বুন্দেসভেরকে এ দশকের শেষ নাগাদ অপারেশনাল প্রস্তুতির জন্যও শক্তিশালী করা দরকার।
জার্মানির পার্লামেন্ট বুন্ডেসটাগ-এ এক প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই ২০২৯ সালের মধ্যে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’ পিস্টোরিয়াস পার্লামেন্টে এই মন্তব্য করেন এবং উল্লেখ করেন যে রাশিয়া ইউক্রেনের সীমান্তে থামবে না এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোকেও হুমকি দিতে পারে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিস্টোরিয়াস বলেন যে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে, বিশেষত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং ইসরায়েল-হামাস সংঘাতের ফলে, জার্মানির সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়ন করা এবং তাদের প্রস্তুত রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি জার্মান সেনাবাহিনীকে কেবল বিদেশী মিশনের পরিবর্তে জাতীয় এবং মৈত্রী প্রতিরক্ষা কার্যক্রমে মনোযোগী করার পরিকল্পনা করছেন। এই প্রক্রিয়ায় তিনি চারটি নতুন শাখা গঠন করতে যাচ্ছেন—সাইবার এবং ইনফরমেশন স্পেস সহ—যা হাইব্রিড হুমকির মোকাবিলায় এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ পরিচালনায় কাজ করব।
দেশটির নাগরিকদের যে কোনো ধরনের বাধ্যতামূলক সামরিক চাকরিতে ফিরে আসারও প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ইউক্রেনের রুশ আগ্রাসনের দুই বছর পেরিয়ে গেছে। ২০২২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে স্থল অভিযান শুরু করে রাশিয়া। দীর্ঘ এই সময়ে দুই পক্ষের প্রচুর সেনা হতাহতের শিকার হয়েছেন। মারা গেছেন অনেক বেসামরিকও। তবে এখনো পর্যন্ত যুদ্ধ থামার কোনো লক্ষণ নেই। তবে আগের চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে আছে রাশিয়া।
পুতিন বলেছেন, ‘এখন তারা যদি রুশ ভূখণ্ডে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় আঘাত হানতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে তাহলে তা রুশ-জার্মান সম্পর্ককে একেবারেই নষ্ট করে দেবে।’
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

