
নবকণ্ঠ ডেস্কঃ জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা জানিয়েছে ইতালি অভিমুখী দু’টি জাহাজডুবির ঘটনায় অন্তত ৩০ জন যাত্রী নিঁখোজ রয়েছে। জাহাজ দু’টি ইতালির ল্যাম্পেডুসা দ্বীপের কাছে ডুবে যায়। এগুলো গত বৃহস্পতিবার তিউনিসিয়ার স্ফ্যাক্স থেকে যাত্রা করে বলে জানা যায়।
এরই মধ্যে ইতালির দ্বীপ সিসিলির এগ্রিজেন্তোতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এগ্রিজেন্তোর পুলিশ অফিসার ইমানুয়েল রিসিফারির মতে পাচারকারীরা সমুদ্রের রুক্ষ আবহাওয়ার কথা জানতো। তিনি আরও জানান যে আগামী কয়েকদিনও সমুদ্রে খারাপ আবহাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।
অন্যদিকে এই ঝড়ো আবহাওয়ার কারণে ল্যাম্পেডুসার এক পাথুরে অংশে আটকাপড়া প্রায় ২০ অভিবাসীকে উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।
সমুদ্রের উচ্চ ঢেউ এই উদ্ধারকাযে বাধা সৃষ্টি করছে বলে জানা যায়।
বাতাস না কমলে তাদেরকে নিরাপত্তার স্বার্থে ১৪০ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে মিডিয়া রিপোর্টে জানানো হয়েছে।
ইতোমধ্যে রেড ক্রসের পক্ষ থেকে তাদেরকে খাদ্য, পানি ও জরুরী তাপীয় কম্বল সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপ যাত্রায় মধ্য ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়া টা সবচেয়ে মারাত্নক ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
আইওএম মুখপাত্র ফ্লাভিও ডি গিয়াকোমোর মতে গত বছর এভাবে সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রায় ৯০০ মৃত্যুর ঘটনা ঘটলেও এবছর তা দ্বিগুণ হয়ে প্রায় ১,৮০০ তে গিয়ে ঠেকেছে।
তিনি আরো জানান যে তিউনিসিয়ান রুটে মৃতদেহ প্রাপ্তির সংখ্যা বেড়েই চলছে যা সত্যিই বিপজ্জনক। এবং এর কারণ হিসেবে তিনি অভিবাসী পারাপারে ব্যবহৃত নৌযানের ধরণকে দায়ী মনে করেন।
তার দেওয়া তথ্য মতে সাব-সাহারান অভিবাসী পারাপারের সাধারণত কাঠের নৌকার তুলনায় কম দামী লোহার নৌকা ব্যবহার করা হয় যা সহজেই ভেংগে যায় এবং ডুবে যায়।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
