ফ্রান্সে প্রবাসী শিশু-কিশোরদের কুরআন তেলাওয়াত, ক্বিরাত ও আজান প্রতিযোগিতা

ফ্রান্সে প্রবাসী শিশু-কিশোরদের কুরআন তেলাওয়াত, ক্বিরাত ও আজান প্রতিযোগিতা

নবকণ্ঠ ডেস্ক: ফ্রান্সে বেড়ে ওঠা প্রবাসী বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের মধ্যে ইসলামি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য চর্চায় উৎসাহ বাড়াতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কেরাত ও আজান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন ছুটিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় দারুল কেরাত মজিদিয়া ফুলতলী ট্রাস্ট অনুমোদিত বিভিন্ন শাখা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

রোববার স্থানীয় সময় প্যারিসের একটি কমিউনিটি হলে প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

দারুল কেরাতের সভাপতি শেখ আসাদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা করেন প্রধান কারী হাফিজ জিল্লুর রহমান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আঞ্জুমানে আল ইসলাম ইউকে (যুক্তরাজ্য)-এর প্রেসিডেন্ট মাওলানা নজরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা নজরুল ইসলাম শিশু-কিশোরদের পবিত্র কোরআন শিক্ষা ও তেলাওয়াতের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মধ্যে কোরআনের শিক্ষা, ইসলামি মূল্যবোধ ও নৈতিক চেতনা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের নিজেদের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গে পরিচিত করে তোলা প্রয়োজন। নিয়মিত এমন আয়োজনের মাধ্যমে তাদের মধ্যে কোরআন শিক্ষা ও তেলাওয়াতের প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার পেয়ে বিজয়ীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

আয়োজকরা জানান, শিশু-কিশোরদের মধ্যে কোরআন শিক্ষা ও তেলাওয়াতের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির পাশাপাশি ইসলামি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা আরও গভীর করাই এ প্রতিযোগিতার অন্যতম লক্ষ্য। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মকে নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক শিকড়ের সঙ্গে সংযুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন অব্যাহত রাখার পরিকল্পনার কথা জানান তারা।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, প্রবাসের পরিবেশে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ ও নিজস্ব ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে এমন আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

 

 

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.