বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোতে ডলার সংকটের প্রভাব; কমছে ফ্লাইট, বাড়ছে ভাড়া

বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোতে ডলার সংকটের প্রভাব; কমছে ফ্লাইট বাড়ছে ভাড়া

বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোতে ডলার সংকটের প্রভাব; কমছে ফ্লাইট, বাড়ছে ভাড়া
বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোতে ডলার সংকটের প্রভাব; কমছে ফ্লাইট, বাড়ছে ভাড়া

নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ট্রাভেল এজেন্ট ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘এসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ’ (আটাব) জানিয়েছে যে পূর্বে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দৈনিক প্রায় ৪০ টি এয়ারলাইন্সের ১৫০ টি’র মত ফ্লাইট ওঠা-নামা করলেও বর্তমানে তা ৫০ শতাংশ কমে গেছে।

গত বছরের নভেম্বর থেকে ফ্লাইট কমার এ ধারা অব্যাহত আছে বলে জানায় সংগঠনটি। বাংলাদেশে বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলো ফ্লাইট কমানোর কারণ হিসেবে অ্যাভিয়েশন খাত সংশ্লিষ্টরা দাবি করছে যে ডলার সংকটের ফলে তারা যখন টিকেট বিক্রি করে তখন প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার মান থাকে ৯০ থেকে ১০০ টাকা। কিন্তু রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে টাকার মান হয়ে যায় ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। এতে তারা প্রায় ১৫-২০ শতাংশ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

এছাড়াও ডলার সংকটের প্রভাবে এয়ারলাইন্সগুলো টিকেট বিক্রির অর্থ সময়মত নিজ দেশে পাঠাতে পারছে না। ফলে তারা বাংলাদেশে ফ্লাইটের সংখ্যা কমিয়ে যেসব দেশে বেশি মুনাফা করতে পারবে এবং যেসব দেশ থেকে নিজ দেশে টিকেট বিক্রির অর্থ সহজে পাঠাতে পারবে সেসব দেশে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়াচ্ছে। যার ফলে বাংলাদেশে ফ্লাইট গুলোর ভাড়া বাড়ছে। বিভিন্ন ফ্লাইটের টিকিটের মূল্য বেড়েছে আগের চাইতে প্রায় তিন গুন।

এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে প্রবাসী শ্রমিকরা কারণ তাদেরকে বেশি যাতায়াত ভাড়া গুনতে হচ্ছে। আটাবের মহাসচিব আব্দুস সালাম আরেফ জানান এই ফ্লাইট স্বল্পতার ফলে প্রবাসী শ্রমিক, ওমরাহ যাত্রী, চিকিৎসার যাত্রী ও পর্যটকের সংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। ফলে ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো। তাদের টিকিট বিক্রি অর্ধেকে নেমেছে বলে জানা যায়। বন্ধ হওয়ার পথে অনেক ট্রাভেল এজেন্সি।

স্বাভাবিকভাবেই, দেশের পর্যটন শিল্প ও হুমকির মুখে পড়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)- এর চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো: মফিদুর রহমান জানান, বিশ্ববাজারে জেট ফুয়েলের দাম ও এয়ারলাইন্স রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ার ফলে উড়োজাহাজের ভাড়া বেড়ে গেছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শফিউল আজিম জানান মালয়েশিয়া সহ সব রুটে টিকিটের চাহিদা এখন বেশি হওয়ার কারণে টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে কারণ চাহিদা বাড়লে টিকিটের দাম এমনিতেই বেড়ে যায়।

এছাড়াও তিনি আরও জানান যে রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে জেট ফুয়েলের দাম বেড়েছে। ফলে ভাড়া বৃদ্ধি করেছে দেশি বিদেশি সকল এয়ারলাইন্স। তার মতে চাহিদা কমলে আবার টিকিটের দামও কমে যাবে।

-311

 

 

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.