নবকণ্ঠ ডেস্কঃ রয়টার্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ নভেম্বর ( শুক্রবার ) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঘোষণা দিয়েছেন যে, ভিসা ছাড়াই চীন ভ্রমণ করতে পারবে ছয়টি দেশের নাগরিক। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ ও ইউরোপের পাঁচটি দেশের নাগরিক এই সুবিধা পাবে।
উক্ত ঘোষণা অনুসারে, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও মালয়েশিয়ার নাগরিকরা কোনো ভিসা ছাড়াই চীনে প্রবেশে করতে পারবে।
করোনা মহামারির ফলে দেশটির ঝিমিয়ে পড়া পর্যটন শিল্পকে উজ্জীবিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দাবি করেছেন যে, এ উদ্যোগের ফলে দেশটির ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে ও উন্মুক্ত পরিবেশের প্রচার বাড়াবে, যা দেশটির অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করে তুলবে।
উক্ত ৬ টি দেশের নাগরিকদের জন্য এই সুবিধা চালু হবে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে এবং ২০২৪ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এই সুবিধা বহাল থাকবে।
পর্যটন, ব্যবসা, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ কিংবা ভ্রমণের জন্য চীন যেতে ইচ্ছুক সাধারণ পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা দেশটিতে সর্বোচ্চ ১৫ দিন অবস্থান করতে পারবেন।
যদিও বর্তমানে বেশিরভাগ ভ্রমণকারীকেই চীনে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা নিতে হয়, তবে সিঙ্গাপুর ও ব্রুনাইয়ের নাগরিকেরা ব্যবসা, পর্যটন, পারিবারিক ভ্রমণ ও ট্রানজিটের জন্য ভিসা ছাড়াই চীনে প্রবেশ করতে পারেন। কিন্তু তারাও ১৫ দিনের বেশি অবস্থান করতে পারেন না।
করোনা পূর্ববর্তী সময়ে কোটি কোটি পর্যটক চীন ভ্রমণ করলেও করোনা মহামারির কারণে প্রায় তিন বছর দেশটিতে বিদেশিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিলো। যার ফলে দেশটির ব্যবসা-বাণিজ্য সহ অর্থনীতিতে মারাত্নক প্রভাব পড়ে।
পরে ব্যাপক আন্দোলন ও আলোচনা-সমালোচনার মুখে শি জিনপিং সরকার গত বছরের ডিসেম্বরে দেশটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল করে এবং চলতি বছরের মার্চ মাসে বিদেশিদের জন্য সীমান্ত পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দেয়।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি এখন নানানভাবে চেষ্টা করছে করোনাকালীন ক্ষয়-ক্ষতি কাটিয়ে নিজেদের অর্থনীতিকে আবারো চাংগা করে তুলতে।
-311
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
