বিশ্বকে তাক লাগিয়ে রাশিয়ান পণ্যে চীনের নিষেধাজ্ঞা! চীন তাহলে কোন পথে হাঁটছে?

বিশ্বকে তাক লাগিয়ে রাশিয়ান পণ্যে চীনের নিষেধাজ্ঞা! চীন তাহলে কোন পথে হাঁটছে?

বিশ্বকে তাক লাগিয়ে রাশিয়ান পণ্যে চীনের নিষেধাজ্ঞা! চীন তাহলে কোন পথে হাঁটছে?
বিশ্বকে তাক লাগিয়ে রাশিয়ান পণ্যে চীনের নিষেধাজ্ঞা! চীন তাহলে কোন পথে হাঁটছে?

এন আই মাহমুদঃ বিশ্বকে তাক লাগিয়ে রাশিয়ান পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কতিপর চীনা ব্যাংক! বিশ্বের নজর এখন চীনের দিকে। ঠিক এ মূহুর্তে রাশিয়ান পণ্যে আমদানীতে ফান্ডিং সীমিত করাসহ কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কমপক্ষে দুই চীনা ব্যাংক। চীনের সবচেয়ে বড় সরকারী ব্যাংকগুলোর মধ্যে আইসিবিসি এবং ব্যাংক অব চায়না এ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বলে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ।

ইউক্রেন আক্রমনের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘে তোলা নিন্দা প্রস্তাবের ক্ষেত্রে চীন নিরব থাকায় অনেকেরই ধারণা ছিল, চীন রাশিয়ার পক্ষে রয়েছে। কার্যত কথাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। রাশিয়ার পন্য আমদানী ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে রাশিয়ার অর্থনীতিতে অনেক বড় অবদান চীনের। এ আমদানীর দুই তৃতীয়াংশই গ্যাস ও জ্বালানী তেল। তবে রাশিয়ার বাজারে চীনের রপ্তানীর পরিমান দেশটির মোট বাণিজ্যের ১ শতাংশের কাছাকাছি।

এই এক শতাংশের বাজার ঠিক রাখতে বাকি বিশাল অংকের বাণিজ্য হারাতে রাজী নয় চীন। ইউরোপ ও যুক্ত্রারাষ্ট্র সহ পশ্চিমা দেশগুলোতে চীনের বাজারে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের দেয়ে ট্রেড ব্যানের শিকার হয়ে চীনের যথেষ্ট শিক্ষা হয়েছে- বিধায় রাশিয়াকে প্রকাশ্য সমর্থনে চীন এগিয়ে আসবে না বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বাজার বিশেষজ্ঞরা।

চীন অবশ্য তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে চেষ্টা করেছে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন তার দেশ রাশিয়ার দুশ্চিন্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তবে কোনো যুদ্ধ চায় না চীন। এ বক্তব্য থেকেই আত্মরক্ষার জন্য কৌশলী অবস্থান নেয়ার ব্যাপারটি স্পষ্ট হয়েছে।

সারাবিশ্বে একমাত্র চীনই হতে পারত রাশিয়ার বন্ধু, তবে বিধি বাম। রাশিয়ার যতটা প্রয়োজন ততটা চীন দিচ্ছে না এবং দেবে না বলেই ধরে নিচ্ছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। গত ৬ দিন যাবৎ ইউক্রেনের উপর হামলা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। রাশিয়ার এ আচরণে সারা বিশ্ব আশ্চর্য হয়েছে এবং পুতিন তার বিশ্বাসযোগ্যতা চিরদিনের জন্য হারিয়েছেন বলে মনে করেন ইউরোপীয় জোটের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান।

প্রথমে চুপ থাকলে ইউরোপের দেশগুলো অস্ত্র ও মানবিক সহায়তা পাঠানো শুরু করেছে। পোল্যান্ড সীমানা দিয়ে অস্ত্রবাহী সাঁজোয়া যানের বহর প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

এদিকে শান্তি আলোচনার জন্য ইউক্রেন ও রাশিয়ান প্রতিনিধিরা বেলারুশ বর্ডারে বৈঠকে বসলেও রাশিয়ার মিসাইল হামলা থামছে না। কিয়েভ ও খারকিভে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে রাশিয়া। এ হিংস্রতার জবাবে রাশিয়ার উপর সারা বিশ্ব থেকে যে পরিমান অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে ইতোমধ্যে তার জবাবে ক্ষেপে গিয়ে পুতিন তার পারমানবিক বোমা প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

 

 

 

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.