
এন আই মাহমুদঃ রাশিয়া-ইউক্রেনের শান্তি আলোচনা শেষ হয়েছে কোনো সমাধান ছাড়াই। পুতিন ক্রিমিয়া আগ্রাসনের স্বীকৃতি চাওয়া সহ ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বকে অস্বীকার করা হয় এমন অস্বাভাবিক শর্ত দেয়ায় ইউক্রেনের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্তে একমত হওয়া সম্ভব হয় নি।
এদিকে রাশিয়ান মিসাইল হামলায় ইউক্রেনের শহর গুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বেসামরিক লোকজন ও আবাসস্থলকে টার্গেট করে পরিচালিত হামলায় নিহত হচ্ছে বেসামরিক লোকজন। খারকিভে নতুন মাত্রায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে দেয়া হয়েছে।
এ হামলার একটি ফুটেজে দেখা যায় বেসামরিক এলাকায় মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়ছে। এটি যে কোনো ভুল নিশানা নয়, বরং ইচ্ছা করেই বেসামরিক মানুষ মারার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পুতিন তা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে খারকিভে হামলা করে পুতিন যুদ্ধাপরাধ করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদেমির জেলেনস্কি।
কিয়েভের পথে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার লম্বা সাঁজোয়া যানের বহর চলতে দেখা গেছে স্যাটেলাইট কোম্পানী ম্যাক্সার টেকনোলজির প্রকাশিত ফুটেজে। এতে মস্কো হিংস্রতার মাত্রা ছাড়িয়ে ব্যপক শক্তি নিয়োগ করছে বলেই বোঝা যাচ্ছে।
এদিকে ইউক্রেনের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে দেশটির জেলবন্দীরা মুক্তি পেতে যাচ্ছেন। আজ ১ মার্চ প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এ ঘোষনা দিয়েছেন। যুদ্ধের মাঠে সরাসরি অস্ত্র হাতে নামার ঘোষনা দিয়ে ছবি টুইট করেছেন সাবেক মিস ওয়ার্ল্ড ইউক্রেন। সংঘাতের কারণে, নিজ নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে চীন। কিয়েভ থেকে মলডোভায় স্থানান্তর করা হচ্ছে বেশীর ভাগ চীনা শিক্ষার্থীকে।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
