
নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ফ্রান্সে এবার আইসিসি স্বীকৃতি প্রাপ্ত ফ্রান্সে ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে যাত্রা শুরু করল ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ। ২৪টি দলের অংশগ্রহনে এ প্রিমিয়ার লীগে বাংলাদেশী দলের সংখ্যা ৮ টি ।
রাজধানী প্যারিসের সার্সেল এলাকার একটি ক্রিকেট মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে জমজমাট উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হল এ টুর্নামেন্ট। উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের বাংলাদেশ দুতাবাসের কর্মকর্তাসহ ক্রীড়ামোদী বাংলাদেশীরা উপস্থিত ছিলেন।
কূটনৈতিক, রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক ভাবে সম্পর্কোন্নয়নের লক্ষ্যে ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (এফবিপিএল) টি ১০ টুর্নামেন্টের যাত্রা শুরু।
দূতাবাসের হেড অফ চ্যান্সারী ওয়ালিদ বিন কাশেম বলেন, এই প্রথমবারের মত এত বড় পরিসরে বাংলাদেশের অংশগ্রহনে ক্রিকেট ট্যুর্নামেন্টের এ আয়োজন নিঃসন্দেহে ফ্রান্সের মূল ধারায় একটি ব্যতিক্রমী মাইলফলক তৈরী করবে। স্বাধীনতার ৫০ তম বার্ষিকীতে এ আয়োজনের মাধ্যমে ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরো স্পষ্ট পরিচয় এনে দিয়েছে। আগামী প্রজন্ম এ থেকে আরো উৎসাহ পাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ফ্রান্সে ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট প্রভু বালান বলেন, “এ আয়োজন এখানকার ক্রিকেটকে বিশ্বে আরো উপরে নিয়ে যাবে, সেই সাথে আন্তঃ সামাজিক সম্পর্ককে দৃড় করবে।
ফ্রান্স বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ এর আয়োজক বৃন্দ বিশ্বাস করেন, “একজন ক্রীড়াবিদ বিশ্ব দরবারে একটি দেশ ও জাতিকে সুনামের সাথে তুলে ধরতে পারে”।
বক্তাগন বলেন, “এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এখানকার ক্রিকেটের পরিধি কিংবা পরিসীমা আরও বাড়বে বলে আমি মনে করি, বিশেষ করে ফ্রান্সের ক্রিকেটকে বিশ্ব দরবারে আরও সু সংগঠিত কিংবা সুনামের সাথে তুলে ধরতে এই আয়োজন বড় ভূমিকা পালন করবে।”
প্রথমবারের মত মূলধারার এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল স্পন্সর করছে শাহ গ্রুপ ও মির্জা গ্রুপ নামের বাংলাদেশী মালিকানাধীন দুই প্রতিষ্ঠান।
শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান সাত্তার আলী সুমন (শাহ আলম) বলেন, ফ্রান্স বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে এই আয়োজনও ইতিহাসের অংশ হিসেবে থাকবে বলে আমি মনে করি।
মির্জা গ্রুপের চেয়ারম্যান মির্জা মাজহারুল বার্নার্ড বলেন, তরুন প্রজন্মকে উৎসাহ উদ্দীপনায় সুস্থ রাখাই আমাদের এগিয়ে আসার মূল কারণ।
পঞ্চাশের অধিক দল থেকে বাছাই করে ২৪ টি দলকে সুযোগ দেয়া হয় এই টুর্নামেন্টে খেলার জন্য।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
