প্যারিসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন

প্যারিসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন

প্যারিসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন
প্যারিসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন

এন আই মাহমুদঃ গত ১৭ মার্চ ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩-তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে। দূতাবাসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে প্রবাসী বাংলাদেশী, সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নেতাকর্মীবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গসহ বাংলাদেশী শিশু-কিশোররা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

দিনের শুরুতে রাষ্ট্রদূত জনাব খন্দকার এম. তালহা দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত সহযোগে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ও বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন।

জাতির পিতার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নতি ও মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাতও অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তিতে দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ এ দিবস উপলক্ষ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন এবং আলোচনা অনুষ্ঠানে আলোচকগণ দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিষয়ে আলোচনা করেন।

রাষ্ট্রদূত এম. তালহা তাঁর বক্তব্যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় এবং বাংলাদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক মুক্তিতে জাতির পিতার সংগ্রাম এবং ত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

তিনি জাতির পিতার গৌরবময় জীবনের উপর আলোকপাত করেন এবং তাঁর জীবনাদর্শের আলোকে দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মকে দেশপ্রেমিক, সৎ ও নির্ভীক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের অনুপ্রাণিত করেন। এসময় তিনি শিশুদেরকে জাতির ভবিষ্যত হিসেবে উল্লেখ করে তাদেরকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের মূল কারিগর হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষ্যে দূতাবাসের পক্ষ থেকে  চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। রাষ্ট্রদূত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া শিশুদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন এবং উৎফুল্ল শিশু-কিশোর ও উপস্থিত প্রবাসীদের সঙ্গে নিয়ে নিয়ে কেক কেটে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালন করেন।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.