
বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স। বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ-আন্দোলন রূপ নেয় সহিংসতায়। বৃহস্পতিবারও, অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির বিতর্কিত আইন পাসের প্রতিবাদের রাজধানী প্যারিসে জড়ো হয় হাজার হাজার মানুষ।
অন্তত সাড়ে তিন মিলিয়ন মানুষ যোগ দিয়েছে প্যারিসের সমাবেশে। বিক্ষোভ দমনে পুলিশও রয়েছে কঠোর অবস্থানে। টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেছে তারা। এমনকি বেশকয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।
বিক্ষোভের মুখেও অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ইঙ্গিত দিয়েছেন চলতি বছরের শেষ নাগাদ কার্যকর হতে পারে এই সিদ্ধান্ত।
চলতি বছরই, দেশটিতে অবসরের বয়সসীমা ৬২ থেকে ৬৪ বছর করার প্রস্তাব দেয়া হয়। সেটি পাসে সংবিধানের আশ্রয় নেন প্রধানমন্ত্রী।
সিজিটি ইউনিয়ন বলেছে ফ্রান্সে পেনশন বিরোধী সংস্কার বিক্ষোভে সাড়ে তিন মিলিয়ন ফরাসি যোগদান করেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের পরিসংখ্যান বলছে জানুয়ারীতে ধর্মঘট শুরু হওয়ার পর থেকে আজকে বৃহস্পতিবারের বিক্ষোভ বৃহত্তম। দ্বিতীয় বৃহত্তমটি ছিল ১৫ মার্চ।
স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ধর্মঘটে যোগ দেয় আজকে। বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের কয়েক ডজন (হাই স্কুল) ও বিশ্ববিদ্যালয় অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা।
