নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ইউরোপে উল্লেখজনক হারে বাড়ছে বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদের সংখ্যা। শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এজেন্সি ফর এসাইলাম (ইইউএএ) প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত বছর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে আবেদন করেন ১১ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ, এর মধ্যে বাংলাদেশিদের সংখ্যা ৪০ হাজারেরও বেশী। বেশিরভাগই ইতালি ও ফ্রান্স অভিভাসন প্রত্যাশী।
ইইউএএ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৩ সালে ইউরোপে আশ্রয় চেয়ে করা আবেদনের সংখ্যা এর ২০২২ সালের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বেশী। যা ২০১৫-১৬ সালের শরণার্থী সংকটের পর সর্বোচ্চ। সে বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৩ লাখ মানুষ ইউরোপে আশ্রয়ের আবেদন করেছিল।
গতবছর সবচেয়ে বেশি আশ্রয়ের আবেদন সংখ্যা জমা পড়েছিল ফ্রান্সে যা ছিল মোট আবেদনের ২৫ শতাংশ। পাশাপাশি রোমানিয়ায় আশ্রয় প্রার্থী আবেদনের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৮২২ জনের। এর পরের অবস্থানে ছিল অস্ট্রিয়ায় ১ হাজার ৪০৯ জন, গ্রিসে ৬৪০ জন, আয়ারল্যান্ডে ৪৪৫ জন, স্পেনে ৩৮০ জন, সাইপ্রাসে ৩১৪ জন, জার্মানিতে ১৬৪ জন, মাল্টায় ১১৮ জন ও অন্যান্য দেশে ৩৭৭ জন।
ইইউএএ’র তথ্য আরো বলছে, গত বছর ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে আশ্রয় প্রার্থীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে ছিল জার্মানি। আর আশ্রয়ের আবেদনে সবার শীর্ষে আছে সিরিয়ান নাগরিকরা। এরপরই এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে আরেক যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ আফগানিস্তান।
ইইউ’র সীমান্ত সুরক্ষা বিষয়ক সংস্থা ফ্রন্টেক্সের এক পরিসংখ্যানে দাবি করা হয়, ২০১৬ সালের পর ইউরোপে অবৈধ সীমান্ত ক্রসিংয়ের সংখ্যাও আশঙ্কাজন হারে বাড়ছে।
মূলত উন্নত জীবন ও অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতর আশায় প্রতি বছরই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইউরোপে যেয়ে থাকেন অসংখ্য মানুষ। এরমধ্যে অবৈধ পথে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করেন অনেকে। কেউ বা আবার নানা মিথ্যা কারণ দেখিয়ে অ্যাসাইলামের আবেদন করে থাকেন।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

