
নবকণ্ঠ ডেস্কঃ বর্ণিল আয়োজনে বাংলাদেশ-ফ্রান্স দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ৫০ বছর এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উসযাপিত হল বাংলাদেশ দূতাবাস প্যারিসের উদ্যোগে।
প্যারিসের অভিজাত প্যাভিলিয়ন রয়েলে বিশ্বের প্রায় ২২ দেশের রাষ্ট্রদূত, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিবিদগণ ইউনেস্কো ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার দুশতাধিক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে দূতাবাসের হেড অফ চ্যান্সেরি ওয়ালিদ বিন কাশেম এর উপস্থাপনায় উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা।

রাজকীয় এ অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা, রাষ্ট্রদূত এর সহধর্মিনী ও দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্য রাখেন এশিয়া ওশেনিয়া অঞ্চল এর পরিচালক বেরথ্র্যান্ড লর্থলারি।

অনুষ্ঠানে ভারত, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, নেপাল সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগণ বাংলাদেশ এর ভূয়সী প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রদূত খন্দকার তালহা গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স দুটি দেশই উল্লেখযোগ্য সামাজিক রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে পেরেছে বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “একদিকে ফ্রান্স যখন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়দের কাতারে চলে এসেছে, ঠিক তখন বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। পুরো সময়েই রাষ্ট্র দুটি তাদের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক বজায় রাখে এবং ফলে বর্তমান বাস্তবতায়, বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্রাটেজির এই সময়ে দুই রাষ্ট্রের জন্যই সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে ফ্রান্সে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত জাওয়াদ আশরাফ ভারত বাংলাদেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক, সামাজিক, এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, “দুই দেশেরই ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষাগত, ঐতিহ্যগত এবং শিল্পকলা এবং সংস্কৃতির প্রতি আবেগ প্রায় এক রকম এবং এসব বিষয়গুলোতে যথেষ্ঠ মিল রয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে দুই দেশই একে অপরের ঘনিষ্ঠ মিত্ররুপে কাজ করেছে।

এশিয়া ওশেনিয়া অঞ্চল এর পরিচালক বেরথ্র্যান্ড লর্থলারি বলেন বাংলাদেশ সরকারের সাথে ফ্রান্স সরকাররের সম্পর্ক এখন উচ্চ্ পর্যায়ে। তিনি দু-দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের বিগত দিনের সম্পর্ক উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে বলেন, “গত এক দশকে বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগের এক উর্বরভূমি হিসেবে গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশকে ‘ফ্রন্টিয়ার ফাইভ’ অর্থনীতির একটি ধরা হচ্ছে।”
বাংলাদেশ থেকে আগত ব্যান্ড দল শিরোনামহীনের সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

