
ফ্রান্স করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউয়ের সর্বোচ্চ আঘাত ইতোমধ্যে পার করেছে বলে মনে করছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জঁ কাস্টেক্স। আগামী মাসে ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার ঘোষনাও দিয়েছেন তিনি। হাসপাতলগুলোতে আইসিইউ বেড এর ব্যাবহারের রেকর্ড মোতাবেক এ ধারণা করছেন তিনি।
গতকাল বৃহষ্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষনা দিয়ে তিনি বলেন, “যেহেতু ১০ দিন হয়ে গেল আমরা তৃতীয় রেকর্ড নিম্নগামী দেখতে পাচ্ছি, সে অনুসারে সোমবার থেকে স্কুল খুলে দেয়া হবে এবং মে মাসের ৩ তারিখ থেকে ১০ কিলোমিটার ভ্রমনসীমাও তুলে নেয়া হবে।”
তবে মহামারী সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনে আসা পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭ টার কাফফিউ চালু থাকবে বলেও জানান তিনি।
ফ্রান্সে এ পর্যন্ত এক লাখ ২ হাজারের বেশী মানুষ মারা গেছেন কোভিড মহামারীতে। বর্তমানে ভ্যাক্সিন কার্যক্রমেও কিছুটা গতি আসছে এবং ইতোমধ্যে ১৩ মিলিয়ন নাগরিক একম্পক্ষে প্রথম ডোজ গ্রহন করেছেন বলে খবরে জানিয়েছে এএফপি ও রয়টার্স।
এছাড়াও শনিবার থেকে জনসন এন্ড জনসনের ভ্যাক্সিন যুক্ত করার আশা ব্যক্ত করেছেন ফরাসী স্বাস্থ্যমন্ত্রী অলিভিয়ার ভেরান। এ ভ্যাক্সিনে একটি মাত্র ডোজ প্রয়োগ করা হয় বলে জানা গেছে।
এছাড়াও করোনাভাইরাসের নতুন সব শক্তিশালী স্ট্রেইন থেকে মুক্ত থাকতে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, চিলি, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য ১০ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করা হবে। এ কোয়ারেন্টাইনে শুধুমাত্র বেলা ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত বিধিনিষেধ মেনে বের হতে পারবেন যাত্রীরা এবং ব্যর্থ হলে ১৫০০ ইউরো জরিমানা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
ব্যায়াম, শরীরচর্চা সহ মানসিক স্বাস্থ্য ভাল রাখতে ফ্রান্সে আস্তে আস্তে সব কিছু সহজ করা হচ্ছে। জঁ কাস্টেক্স অবস্থার ভিত্তিতে দুপুর বেলা দোকান, সাংষ্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রম চলতে দেয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে অঞ্চল ভেদে ভিন্ন রকম শিথিলায়ন পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে বলেও আভাস দিয়েছেন ফরাসী প্রধানমন্ত্রী।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
