প্রিয় প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা, শুভ কামনা। আশা করি ভালোই আছেন, ভালো থাকাটা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমরা সব মিলিয়ে ভালো নেই। ভালো নেই বলেই আজ বেদনাহত শংকিত হৃদয়ে আপনাকে লিখতে হচ্ছে। আমার পরিচয় আমি সামান্য একজন সাংবাদিক। বাবার বদৌলতে ১৯৯০ ইংরেজীতে লন্ডনে এসেছিলাম। আসার পর থেকেই এই ইষ্ট লন্ডনেই বসবাস করছি। এই ইষ্ট লন্ডনকেই আমার বাড়ী মনে করি । আমি যখন লন্ডন থেকে বের হই, অন্য কোনো দেশে যাই, যখন ফিরে এসে ইষ্ট লন্ডনে পা রাখি তখন কেমন জানি আমার মনের মধ্যে একটি প্রশান্তির সুবাতাশ বইতে থাকে। মনে হয় আমি যেন আমার বাড়ীতে চলে এসেছি। এই লন্ডন এই ইষ্ট লন্ডনকে আমার খুবই প্রিয় শহর মনে হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এই শহরেই আমি আমার কৈশোর যৌবনের উত্তাল দিনগুলি অতিবাহিত করেছি। এই শহর আমার প্রেম,ভালবাসা,সংসার অার সাংবাদিকতার স্মৃতিময় শহর।
ভিক্টোরীয়া পার্ক, মাইলেল্ড পার্ক, সেন্ট জেমস পার্ক, রিজেন্টস পার্ক, ইলফোর্ডের ভ্যালেইন্টাইন পার্ক, এ সব পার্ক এ জড়িয়ে আছে প্রেম,অাড্ডার স্মৃতি। এই শহরকেই আমার মনে হতো পৃথিবীর মধ্যে শান্তির শহর। মানুষ বলে প্যারিস নাকি প্রেমের শহর। আমি জানিনা, হয়তো হতে পারে। মানুষ প্যারিসকে বলে অনেক সুন্দর শহর। আমি প্যারিস, সুইজারল্যন্ড,সুইডেন জার্মানী, ইটালী, স্পেইন, পতূগাল, নিউইয়র্ক, সৌদী আরব, তার্কি, তিউনিসিয়া, ইজিপ্ট, গ্রীস, টেনারীফ, মাদিরা, ডুবাই,স্কটল্যন্ড, সহ অনেকগুলো শহরই ঘুরেছি, কিন্তু লন্ডন তো লন্ডনই। লন্ডনের তুলনা এ্ই লন্ডন। লন্ডনের কোনো বিকল্প ছিলনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এই লন্ডন আপনাকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এই লন্ডন সাদিক খান কে মেয়র হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এই লন্ডন আমাকে অনেককে আলো বাতাস দিয়ে বেচে থাকতে সাহায্য করছে। এই লন্ডন আমাদের মত অনেক ইমিগ্রেন্টকে প্রতিষ্টিত করেছে। এই লন্ডনের কাছে আমার মত মানুষের দায়বদ্ধতা অনেক। আমার দায় শোধ করার কোনো ক্ষমতা নেই মাননীয় প্রধানমনস্ত্রী।
লন্ডনকে যে ভালোবাসতে পারেনা তার তো থাকা উচিৎ না। লন্ডনে থাকবে আবার অন্য দেশের গান গাইবে তা তো হতে পারেনা। লন্ডনে থাকবে আবার লন্ডনকে এট্যাক করবে? তা তো হয়না। এটা দেশের প্রতি বেঈমানী।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইদানিং লন্ডনে হেইট ক্রাইম, নাইফ ক্রাইম, এসিড এট্যাক দিনের পর দিন বেড়েই চলছে। আমি এর জন্য কাকে দায়ী করবো? দ্য়া আমাদের ও আছে। আমরা যারা কালো মানুষ লন্ডনে বসবাস করি তাদের দায় অনেক। একে তো আমরা অন্য একটি দেশ থেকে এসেছি। এসে এখানে বসবাস করছি, সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন হিসেবে। সেটা কি আমাদের দোষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী. আমি লন্ডনে আসার পর জন মেজর সাহেবকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখেছি, তারপর টনি ব্লেয়ার, গর্ডন ব্রাউন, ডেভিড ক্যমরুন, সর্বশেষ আপনি। আপনার আমলে সমস্যাটা একটু বেশী মনে হচ্ছে। ব্রেক্সিট নিয়ে আপনার সমস্যার অন্ত নেই। মাস ছয়েক আগে আমার সাথে দেখা হয়েছিল ব্রেক্সিট মিনিষ্টার ডেভিড ডেভিস সাহেবের সাথে, ওয়েষ্ট মিনিষ্টার প্লাজায় বাংলাদেশ ক্যটারার্স এসোসিয়শনোর এক প্রোগ্রামে। ডেভিড ডেভিস ছিলেন ঐ অনুষ্টাসে প্রধান অতিথি। আমি একটি সাক্ষাতকার নিয়েছিলাম তিনি বলেছিলেন সব কিছুই ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু ব্রেক্সিট এখন আপনার সরকারের জন্য গলার কাটা হয়ে দেখা দিয়েছে। কেন যে এবসলিউট পাওয়ার না ম্যান্ডেটের জন্য মধ্যবর্তীর ফাদেঁ পা দিলেন অাপনি। সব সময়ে তো অার মার্গারেট থ্যাচার সৃষ্টি হয় না। অাপনার সমীকরনে,অাপনার পরামর্শদের ভুল অংক ব্রিটেনের সরকারকে দুর্বল করেছে,নিঃসন্দেহে।
অনেকেই বলছেন হার্ড ব্রেক্সিট না হয়ে সফট ব্রেক্সিট হলে বৃটেনের জন্য ভালো হবে। আপনি প্রধানমন্ত্রী আপনি ভালো বুঝবেন কি করা না করা। তবে রেফারেন্ডাম করে ইউরোপ থেকে বেরিয়ে আসাটা মনে হয় ঠিক হয়নি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। জনগনের রায় তো মেনে নেয়া ছাড়া আর কোনো পথ নেই আমাদের। গনতন্ত্রের ভালো দিক খারাপ দিক রয়েছে, জনগন অনেক সময় না বুঝে অনেক কিছু করে ফেলে। দুনিয়া দুলছে উগ্র জাতীয়তাবাদের জ্বরে। এর জন্যই তো প্রধানমন্ত্রী, ডেভিড ক্যামেরুন চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসতেন। কিন্তু রেফারেন্ডাম না দিলেও পারতেন।
ইউরোপে থেকে যাওয়ার কোনো ব্যবস্থা করা যায় কিনা আপনি যদি একটু ভেবে দেখেন তাহলে ভালো হয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত নির্বাচনটা আমি গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করেছি। আপনার দল কনজারভেটিব পার্টি নাকি বড় লোকের দল। এ রকম একটি ধারনা আমাদের বাংলাদেশী সহ বহু এথনিক কমিউনিটিতে রয়েছে। আমাদের কমিউনিটির বেশীরভাগ মানুষ রেষ্টুরেন্ট ব্যবসার সাথে জড়িত। যে রেষ্টুরেন্ট ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্ট নামে পরিচিত। অথচ এসবের ৯৯ পার্সেন্ট রেষ্টুরেন্ট বৃটিশ বাংলাদেশী দ্বারা পরিচালিত। আমরা ২ বিলিয়ন পাউন্ড বৃটিশ অর্থনীতিতে কন্ট্রিবিউট করে থাকি। অথচ আপনার দল থেকে গত নির্বাচনে বাংলাদেশী কমিউনিটি থেকে কাউকে মনোয়ন দেয়নি। অন্যদিকে লেবার পার্টি থেকে তিন জন এমপি ইতিমধ্যে নির্বাচিত হয়েছেন, একজন ব্যরোনেস রয়েছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, লন্ডনকে নিয়ন্ত্রন করছে লেবারপার্টি। আপনার দল কনজারভেটিব পার্টি নিয়ন্ত্রন করছে পুরো ইউকে। বৃটিশ রাজনীতির যারা ক্রিটিক তারা বলে থাকেন লেবার পার্টি এডমিনিষ্ট্রেশনের দিক দিয়ে ভালো নয়। টনি ব্লেয়ার বৃটেনকে রিসেশনে ফেলে গেছেন। গর্ডন ব্রাউন যখন ক্ষমতা ছেড়ে যান তখন তার চিফ ট্রেজারী সেক্রেটারী লিয়াম বার্ণ এমপি লিখেছিলেন, “আই এম এফরেইড দেয়ার ইজ নো মানি লেফট“ এটি ছিল আপনার দলের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যমরুনের জন্য। বৃটেনের মত দেশের জন্য লেবার পার্টির বিগেষ্ট গিফট, এই গিফটকে সমালোচকরা বলেছিলেন জোক অপ দ্য সেঞ্চুরী। ক্ষমতা ছাড়ার সময় সরকারের কোনো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এ রকম কথা লিখতে পারে তা আমার জানা ছিলনা।
সে যাক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী লন্ডনের মেয়র লেবারপার্টি থেকে নির্বাচিত। গত সপ্তাহে গ্রেনফেল টাওয়ারে আগুনে জ্বলে নিহত বৃটিশ বাংলাদেশীর নামাজে জানাজায় সাদিক খান অংশ নিয়েছিলেন ইস্ট লন্ডন মসজিদে, অথচ আপনার দলের কোনো প্রতিনিধি ছিলনা। সাদিক খান লন্ডনের মানুষের মন জয় করছেন। কিন্তু আপনার দলের কেউ বা আপনি অশ্বেতাঙ্গ মানুষদের মন জয় করছেন বলে মনে হয়না। যেখানে সাদিক খান ইস্ট লন্ডন মসজিদে এসেছিলেন সেখানে আপনার পক্ষ থেকে যদি কেউ আসতো তাহলে মানুষ মনে করতো আপনার দলের ও সমর্থন অশ্বেতাঙ্গ অামাদের মত মানুষের প্রতি রয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গত নির্বাচনে আমি দেখেছি ইনার-সিটি লন্ডনে লেবার পার্টির ভোটের পরিমান বেড়ে গেছে। কিন্তু কেন? লেবারপার্টির যারা এমপি তারা তো এমন কিছু করেননি যে তাদের মেজরিটি বেড়ে যাবে। এক এমপিকে আমি জানি তার পারফরমেন্স সবচাইতে ওয়ারস্ট। তার মেজরিটি গত নির্বাচনে ৫০ হাজার। জেরেমি করবিন যা বলেছেন তা কি তিনি করতে পারবেন? টিউশন ফি কি তিনি বাতিল করতে পারবেন? যদি পারেন তাহলে আপনি পারেননা কেন? । তিনি বলেছেন তিনি ক্ষমতায় চলে যাবেন? আমি জানিনা তিনি কিভাবে যাবেন?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন যখন লন্ডনের মেয়র ছিলেন তখন নাইফ ক্রাইম শুনা গেলেও এসিড এটাকের কথা শুনা যায়নি। এখন সম্প্রতি একই রাতে পাচবার এসিড এট্যাক হয়েছে পূর্ব লন্ডনে। পূর্ব লন্ডনের ব্রিকলেইনের বাংলা টাউনে সম্প্রতি নাইফ এট্যাক করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে একজন বৃটিশ বাংলাদেশীকে। ক্রাইম এমন এক পর্যায়ে পৌছেছে যে,ইষ্ট লন্ডনের মানুষের মনে এক অজানা আতংক বিরাজ করছে সাধারন মানুষের মধ্যে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ইষ্ট লন্ডনে আমি ২৭ বছর অতিবাহিত করেছি সেই ইষ্ট লন্ডনে সন্তান বা স্ত্রী এখন বাইরে বের হলে তিনবার চিন্তা করি। কে কখন কোন দিকে এসিড এট্যাক করে বসে, মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০১৪ এ যেখানে লন্ডনে এসিড এট্যক হয়েছিল ২০০টি ২০১৫ এ এসে সেটি হয়েছে ৪৩১টি-প্রতি ২০ ঘন্টায় একটি এসিড এট্যাক হচ্ছে। লেইটেস্ট এসিড এট্যাক হয়েছে দেড় ঘন্টার মধ্যে পাচঁবার। এখন ২০১৭ তে গোটা যুক্তরাজ্যে যে এসিড এট্যাক হয়েছে একা লন্ডনেই হয়েছে অর্ধেকের চেয়ে বেশী।
আমার মনে আছে ৯০ এর দশকে যখন বর্ণবাদী হামলাবেড়ে গিয়েছিল বৃটিশ বাংলাদেশী তরুন কুদ্দুস আলীকে মেরে মর্মান্তিকভাবে আহত করেছিল এই ইষ্ট লন্ডনে। আমি জানিনা কেমন আছেন সেই কুদ্দুস আলী, সারা জীবনের জন্য কুদ্দুস আলী পুঙ্গত্ব বরন করেছিলেন। তখনও কনজারভেটিব পার্টি ক্ষমতায় ছিল, তৎকালীন হোম সেক্রেটারী ছিলেন মাইকেল হাওয়ার্ড। তিনি ইষ্ট লন্ডন ভিজিট করে বলেছিলেন, বিহিত ব্যবস্থা করবেন। আমি মনে করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি অতি তাড়াতাড়ি ইষ্ট লন্ডন ভিজিট করুন আপনার হোম সেক্রেটারীকে নিয়ে,এবং আমাদেরকে এই এসিড এট্যাক, নাঈফ ক্রাইম, হেইট ক্রাইম থেকে বাচাঁন। আমি এর আগেও একটা লেখা রুশনারা আলী এমপিকে এড্রেস করে লিখেছিলাম। লিখেছিলাম টাওয়ার হ্যমলেটসের সম্মানিত মেয় জন বিগস ভাইকে এড্রেস করে। সেটির কাম্য ছিল একশন বোধ করি উল্টো রিএকশন হয়েছে। কবি অাবু হাসান শাহরিয়ারের কবিতার লাইনটা ধার করে প্রায়ই বলি,কেউ কেউ অাসলে বড় হয় না,বড়র মতোন দেখায়। অনেকেই আমাকে ভূল বুঝেছেন। সব জায়গায় যদি উল্টো বুঝেন তাহলে মানুষ কোথায় যাবো কোথায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? রামের গল্প দিয়ে শেষ করি। এক রাখাল বালক বনে গিয়েছিল ঘাস কাটার জন্য। ঘাস কাঠতে কাঠতে সমতল জায়গা মনে করে পা দিলে পা ভেঙ্গ যায়। সে বসে পড়ে। বসে বসে সে রামের কাছে একটি ঘোড়া চেয়েছিল, বলেছিল রাম আমার তো পা ভেঙ্গে গেছে আমাকে একটি ঘোড়া দে। তার বিশ্বাস রাম তাকে একটি ঘোড়া দেবে, এবং সে ঘাড়া চড়ে বাড়ী যাবে। কিছুক্ষন পর এলাকার জমিদারের পুত্র আসলো তার কাছে এসে জিজ্ঞাস করলো এই তুমি এখানে কি করো? সে বললো পায়ে সমস্যা হয়েছে এর জন্য বসে আছি। জমিদার পুত্র বললো চলো আমার ঘোড়ার বাচ্চাকে নিয়ে এসেছিলাম ঘাস খাওয়ানোর জন্য ঘাস থেতে খেতে পা ভেঙ্গে ফেলেছে চলো তুমি এটাকে বাড়ী পৌছে দিবে। কি করবে রাখাল বালক? জমিদার পুত্রের হুকুম। সে ঘোড়ার বাচ্চাকে কুলে নিয়ে বাড়ী যেতে লাগলো আর মনে মনে বলতে লাগলো রাম আমার পা ভাঙ্গার পর তোমার কাছে একটা ঘোড়া চেয়েছিলাম যে ঘোড়া চড়ে আমি বাড়ী যাবো। তুমি আমাকে ঘোড়া দিলে ঠিকই কিন্তু সে ঘোড়া আমাকে বয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে। রাম তুমি বুঝলে ঠিকই কিন্তু উল্টো বুঝলে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমরা যারা বৃটিশ বাংলাদেশী আমাদের চাওয়া পাওয়া খুবই সামান্য। আমরা রামের কাছে চাই সুস্থ সুন্দর একটি জীবন। এই লন্ডনে সব কিছু ছিল কিন্তু বর্তমানে রামের গল্পের মত হয়ে গেছে। আমরা এ থেকে পরিত্রান চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
শেষ কথা হচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি কিন্তু অনেক সুন্দরী, এবং স্মার্ট, ড্রেস সেন্স আপনার মারাত্বক। যে কোনো সামিটে আর কাউকে খোঁজে পাওয়া না গেলেও আপনাকে খোজেঁ পাওয়া যায়। জি-২০ সামিট তার বড় প্রমান। আপনার সু স্বাস্থ্য ও দীর্য়ায়ু কামনায়। আপনি অনেক ভালো থাকুন। মোকাবেলা করুন পরিস্থিতি। অাপনি ই তো বলেছেন, এনাফ ইজ এনাফ।
![]()
লেখকঃ রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী
সভাপতি ইউকে বাংলা প্রেস ক্লাব
ব্যবস্থাপনা পরিচালক চ্যানেল আই ইউরোপ

