নবকণ্ঠ ডেস্কঃ মূল টাইটানিকের প্রতিরূপ হিসেবে আবার যাত্রা করতে যাচ্ছে ‘টাইটানিক টু’ নামে একটি জাহাজ। প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে অস্ট্রেলিয়ান ধনকুবের ও ব্লু স্টার কোম্পানির মালিক ক্লাইভ পামার ‘টাইটানিক টু’ তৈরির কাজ করছেন। ‘টাইটানিক টু’ মূলত জাহাজটির একটি অবিকল প্রতিরূপ।
উল্লেখ্য ১৯২২ সালে ২২০০ জন মানুষ নিয়ে তার মর্মান্তিক ডুবে যায়। দুর্ভাগ্যজনক এ যাত্রায় মাত্র ৭০০ জন বেঁচে ফিরতে পেরেছেন।
ক্লাইভ পামার সিডনি অপেরা হাউযে সাম্প্রতি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ছয় বছর পর আবার টাইটানিক টু তৈরির প্রকল্পটি শুরুর ঘোষণা দেন।
টাইটানিক ডুবে যাওয়ার এক শতাব্দীরও বেশি সময় পার হলেও আজও বিশ্ব এর গল্পে আকৃষ্ট হয়।
পামার প্রথম ২০১২ সালে টাইটানিক টু নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেন। পরবর্তীতে আবার ২০১৮ সালে তিনি এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করলেও কোভিড মহামারির সময় পরিকল্পনাটি স্থগিত রাখা হয়।
পামার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, অপ্রত্যাশিত বৈশ্বিক মহামারির কারণে বিলম্বের পর আমরা টাইটানিক টু এর স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে অংশীদারদের সঙ্গে পুনরায় যুক্ত হয়েছি। যাত্রা শুরু হোক।’
ব্লু স্টার লাইন কোং, পামারের সভাপতিত্বে, ২০২৫ সালের শুরুর দিকে নির্মাণ শুরু করার জন্য বছরের শেষের মধ্যে একটি জাহাজ নির্মাতাকে চূড়ান্ত করতে চায়, ইউরোপীয় সংস্থাগুলি চুক্তিগুলি সুরক্ষিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে৷ প্রকল্পের পুনঃঘোষণার সাথে জাহাজের বিন্যাস এবং সুযোগ-সুবিধা প্রদর্শন করে একটি বিস্তৃত আট মিনিটের ভিডিও উপস্থাপনা করা হয়।
জাহাজটি ২৬৯ মিটার লম্বা ও ৩২.২ মিটার চওড়া হবে। ৮৩৫টি কেবিন সহ নয়টি ডেক জুড়ে ২৩৪৫ জন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হবে জাহাজটি। যার প্রায় অর্ধেক প্রথম শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। উল্লেখ্য, মূল টাইটানিকের ঐশ্বর্যের প্রতিনিধিত্ব করে অর্ধেক কেবিন প্রথম শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য বরাদ্দ করা হবে।
তিনি বলেন, ‘কয়েক মিলিয়ন মানুষ টাইটানিকে যাত্রা করার স্বপ্ন দেখেছে এর অনন্য গল্প অনুভব করেছে। টাইটানিক সেই জাহাজ হবে যেখানে সবার দেখা স্বপ্নগুলো সত্যি হবে।’
পামার কোন ধরণের দুঃখজনক সমাপ্তি ছাড়াই টাইটানিকের অবিকল প্রতিরূপ তৈরি করতে চান। তিনি বিশ্বাস করেন যে এই বিলাসবহুল জাহাজের জন্য বিশ্বের মুগ্ধতা মানুষকে কাছাকাছি নিয়ে আসবে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
