নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা দল গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরে সেখান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে এলেও ভেতরে ভেতরে সংগঠিত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ, সারজিস আলম, আবদুল হান্নান মাসুদ, আবু বাকের মজুমদারসহ একটি পক্ষ অন্তর্বর্তী সরকারের ‘প্রেসার গ্রুপ’ হিসেবে কাজ করছে। আরেকটি পক্ষ ‘জাতীয় নাগরিক কমিটি’ করেছে। অন্যদিকে নানা গুঞ্জনের মাঝে গঠিত হয়েছে ‘জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ’ নামে একটি রাজনৈতিক দল। ইতিমধ্যে তাদের ছাত্র সংগঠন গঠিত হয়েছে। পেশাজীবী পরিষদ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন উইং গঠনের কাজও চলমান।
বৈসম্য বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় থাকাদের মধ্য থেকে রাজনৈতিক দল গঠনের প্রথম কোন উদ্যোগ হতে যাচ্ছে এটি। তাই স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে কারা আছে এই এই দলের নেপথ্যে?
দলটির অন্যতম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে খোমেনি এহসান নামে এক জাপান প্রবাসীর নাম উঠে এসেছে। যিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে। যুক্ত ছিলেন দৈনিক নয়া দিগন্তের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি হিসেবেও। পরবর্তীতে কিছুদিন কাজ করেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকাতেও। পরবর্তীতে আওয়ামী সরকারের রোষানলে পড়ে বাধ্য হন দেশ ছাড়তে।
এছাড়াও হাসান আরিফ নামের একজন দলটিতে সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছেন যিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিংয়ে পড়াশোনা করেছেন। ২০০৭-২০০৮ সেশনে স্নাতকে (সম্মান) ভর্তি হওয়া আরিফ ২০১৪ সালে স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন।
দলটির প্রতিষ্ঠার পরপরই এর উদ্দেশ্য নিয়ে ধুম্রজাল সৃষ্টি হচ্ছে। ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার মিলনায়তনে ‘সিপাহী-জনতার ঐক্যে রাষ্ট্র পুনর্গঠন: জাতীয় নিরাপত্তায় নতুন প্রস্তাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা করেছে। এতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ক্ষমতা কাঠামোতে সেনাবাহিনীকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সেনাপ্রধান ও অন্তবর্তীকালী সরকারের সাথে যখন শীতল সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে তখন কোন নতুন গঠিত দলের পক্ষ থেকে এমন দাবি বিশেষ উদ্দেশ্য প্রণোদিত কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রাখে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
