নবকণ্ঠ ডেস্কঃ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগে সক্রিয় সিন্ডিকেট দুই দেশের সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম।
রিক্রুটিং সিন্ডিকেটের বিষয়ে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাসঙ্গিক, বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে। রিক্রুটিং সিন্ডিকেটের কার্যক্রম শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এটি আন্তর্জাতিক পর্যায়েও ব্যাপক প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় এই সিন্ডিকেটগুলির কার্যক্রম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের কাছে এক চিঠিতে জাতিসংঘের চার স্বাধীন বিশেষজ্ঞ বেশ কিছু অভিযোগ তুলেছেন। রাজধানীতে মালয়েশিয়া হাইকমিশনের আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন হাইকমিশনার।
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অপরাধী চক্রগুলো সক্রিয় রয়েছে। এই চক্রগুলো প্রতারণার মাধ্যমে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে ভুয়া কোম্পানিতে শ্রমিকদের নিয়োগ দেয়। এর ফলে বাংলাদেশি শ্রমিকরা ঋণের চক্রে আটকা পড়েন।
মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের উদ্বেগের প্রধান কারণ হলো, রিক্রুটিং সিন্ডিকেটের কারণে বৈধ প্রক্রিয়ায় কর্মী নিয়োগ ব্যাহত হয় এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কর্মসংস্থান চুক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হাইকমিশনারের মতে, এই সিন্ডিকেটের কার্যক্রম সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, যা দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের উপরও প্রভাব ফেলছে।
রিক্রুটিং সিন্ডিকেটের কার্যক্রম সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, যা দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান নীতি এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের উদ্বেগের প্রেক্ষিতে, দুই দেশের সমন্বিত উদ্যোগ ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

