নবকণ্ঠ ডেস্কঃ বিগত ১৫ বছরে স্বৈরাচার ডালপালা বিস্তার করেছিল প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। এ প্রকোপ এতটা ভয়াবহ ছিল যে, তেলবাজি যেন হয়ে উঠেছিল যোগ্যতার মাপকাঠি। বিসিএস সহ সরকারী চাকরীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার বদলে দেখা হতো তেলবাজিতে কার নৈপুণ্যতা কতখানি। সম্প্রতি এমন বাস্তবতায় উঠে এসেছে এক টিভি টকশোতে একজন আমন্ত্রিত আথিতির বক্তব্যে।
বেসরকারী স্যাটেলাইট চ্যানেল এসএ টিভিতে এক অনুষ্ঠানে একজন সাবেক আমলা এমন দাবি করেন। সরকারী প্রতিষ্ঠান কীভাবে দলীয়করণ করা হয়েছিল তার উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি তার এ অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান বিসিএস এর ভাইভা বোর্ডে থাকার কারণে তার এধরণের অভিজ্ঞতা হয়েছে। ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, চাকরী প্রার্থীকে প্রিলিমিনিরী ও লিখিত পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করার পরও ভাইভাতে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নাম বলার আগে জাতির জনক উল্লেখ না করার কারণে বাদ পড়তে হয়েছে।
ভাইভা বোর্ডের চেয়্যারম্যান ওই চাকরীপ্রার্থীকে বিএনপি-জামাত বলে সাভ্যস্ত করেন। তিনি জানান, পরে এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তাকে পর্ববর্তীতে আর কোন ভাইভা বোর্ডে ডাকা হয়নি।
একারণে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে নিয়োগকৃত কর্মকর্তারা কতটা ন্যায়-নিষ্ঠ ভাবে দায়িত্ব পালন করেছে। তারা কি আসলে রাষ্ট্রের কর্তব্য পালন করেছে নাকি প্রতিদান স্বরুপ স্বৈরাচার শাষণ ব্যাবস্থা টিকিয়ে রাখার কাজ করেছে?
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

