নবকণ্ঠ ডেস্কঃ বুধবার হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ে ইরানের শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনির সঙ্গে দেখা করেন। হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির জানাজায় অংশ নিতে হামাসের প্রতিনিধি হিসেবে তেহরানে এসেছেন হানিয়া।
হানিয়া জানাজায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘আমি ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষ নিয়ে, গাজায় (ইসরায়েলি) আগ্রাসনের বিরোধিতাকারীদের প্রতিনিধি হিসেবে এখানে উপস্থিত হয়েছি শোক প্রকাশের উদ্দেশ্যে।’
এসময় হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির সঙ্গে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় হামাস প্রধান উল্লেখ করেছেন যে তারা একসঙ্গে ইসরায়েলের ধ্বংস দেখবেন।
এই মন্তব্যটি ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের দৃঢ় মনোভাবকে প্রতিফলিত করে, যারা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছে। হানিয়া এবং খামেনির মধ্যে এই কথোপকথন ইরান এবং হামাসের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্কের একটি উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়েছে, যা বিশেষ করে সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোতে পরিষ্কার হয়েছে।
হানিয়ার এই বক্তব্যের পটভূমিতে রয়েছে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এবং তাদের যৌথভাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ চালানোর আকাঙ্ক্ষা। চীনের মধ্যস্থতায় হামাস এবং ফাতাহর মধ্যে আলোচনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যা এই সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা আনতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
জবাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়ারকে আশ্বস্ত করে বলেন, জাওনিস্টদের ধ্বংসের বেহেশতি অঙ্গীকার একদিন পূরণ হবে। খামেনি আরও বলেন যে তারা সেই দিনটি দেখবেন, যেদিন নদী থেকে সমুদ্র পর্যন্ত ফিলিস্তিন জেগে উঠবে। এই মন্তব্যগুলি ইরান এবং হামাসের মধ্যে মজবুত সম্পর্কের প্রতিফলন এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের মিলিত প্রতিরোধের প্রতিজ্ঞা প্রকাশ করে।
এই ধরনের বৈঠক এবং বক্তব্যের মাধ্যমে ইরান ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তাদের অবিচল সমর্থন পুনরায় নিশ্চিত করে এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য তাদের প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
