
আগামী রোববার থেকে নন-ইউরোপিয়ান দেশের সাথে বর্ডার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স প্রশাসন। সেই সাথে বন্ধ হচ্ছে বড় সব শপিং সেন্টার। করোনাভাইরাসের নতুন নতুন ভ্যারিয়ান্ট সংক্রমন ও ছড়িয়ে পড়া থেকে সুরক্ষা পেতে তৃতীয়বার যেন লক ডাউন না দিতে হয়, সে জন্যই এ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানায় সংবাদ সংস্থা এপি।
শুক্রবার রাতে সরকারের স্বাস্থ্য-নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক জরুরী মিটিং এর পর ফরাসী প্রধানমন্ত্রী জঁ কাস্টেক্স ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টকে “মহাঝুঁকি” ঘোষনা দেন।
এ ঝুঁকি থেকে রক্ষায়, ইউরোপিয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর লোকজনকেও ফ্রান্সে প্রবেশ করতে কোভিড নেগেটিভ সনদ বহন করতে হবে। ইউরোপের বাইরের দেশ থেকে কোনও ব্যাক্তি ফ্রান্সে কোনো বন্দর, বিমান-বন্দর দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে ফ্রান্স ছেড়ে যেতে পারবেন কিনা তা স্পষ্ট বলা হয় নি।
সেই সাথে এতদিন চলে আসা ১২ ঘন্টার কারফিউ অমান্য করে গোপনে পার্টি করা বা রেস্টুরেন্ট খোলার মত অপরাধ সনাক্ত করতে আরো কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন জঁ কাস্টেক্স।
অনেক ডাক্তার নতুন করে দেশব্যাপি লক ডাউনের জন্য অনুরোধও জানাচ্ছেন। তবে নতুন লক ডাউনের অর্থনৈতিক ক্ষতিকে কমিয়ে আনতেই এসব উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে, আগামী দিনগুলোতে আরো কঠোর নির্দেশনা দেয়া হবে কিনা তা নিয়েও চলছে আলোচনা।
ফ্রান্সজুড়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হার খুব দ্রুত না বাড়লেও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে গত কয়েক সপ্তাহের চিত্রে। আইসিইউ গুলোর ৬০ ভাগ এখন ব্যবহৃত হচ্ছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ফ্রান্সে এ পর্যন্ত ৭৫ হাজার লোকের মৃত্যু হয়েছে যা সারা বিশ্বে সপ্তম।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
