নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দিকে বড় ধরনের অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে মাল্টা ও ব্রিটেনসহ একাধিক ইউরোপীয় দেশ এই প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসছে। মাল্টার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট অ্যাবেলা গতকাল একটি ঐতিহাসিক ঘোষণায় জানান, “৪৫ বছরের জাতীয় বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে” তার দেশ শিগগিরই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে। পার্সটুডে’র প্রতিবেদনে তিনি গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে ৫০,০০০-এরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহতের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “এই মানবিক বিপর্যয়ের ব্যাপারে আমরা চোখ বন্ধ করে থাকতে পারি না।”
এদিকে, ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হতে পারে। বিরোধী লেবার দলের নেতা কিয়ার স্টারমারও ইসরায়েলের গাজা নীতির সমালোচনা করে বলেছেন, “অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লন্ডনের এই অবস্থান পরিবর্তন ইইউ-তে ইসরায়েল-সমর্থক জার্মানির নেতৃত্বাধীন গ্রুপকে দুর্বল করতে পারে।
ফ্রান্স ও সৌদি আরব জুন মাসে জাতিসংঘের অধীনে নিউইয়র্কে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করবে, যার লক্ষ্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির বিষয়ে বৈশ্বিক ঐকমত্য তৈরি। বিশ্লেষকদের মতে, মাল্টা ও ব্রিটেনের সম্ভাব্য পদক্ষেপ ইইউ-এর অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রকে প্রভাবিত করতে পারে, যা ইসরায়েলের জন্য কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করবে।
এই স্বীকৃতিগুলো জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের মর্যাদা উন্নয়ন এবং আইসিজে/আইসিসিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইকে শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
