নবকণ্ঠ ডেস্কঃ পশু প্রেম দেখাতে গিয়ে ভাল বিপদে পড়েছেন অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনায় বিদ্ধ তিনি। ভাবনা মূলত মাঝারি মানের একজন অভিনেত্রী। ছোট ও বড় পর্দায় অভিনয করলেও কাজের মাধ্যমে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। নিজেকে সুশীল নাগরিক প্রমান করতে গিয়ে মাঝে মাঝে বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন যা তাকে বারবার সমালোচনার সমুদ্রে নিক্ষেপ করে।
সম্প্রতি ট্রাকে বহন করা গরুর ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে পশু প্রেম দেখিয়েছেন ভাবনা। গরুর হয়ে ক্যাপসনে লিখেছেন আমার কান্নার শব্দ কি শোনা যায তোমার শহরে। এই বাক্যটির মাধ্যমে যে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে তিনি গরু জবাই করে মাংস খাওয়ার বিরুধিতা করেছেন তা বুঝতে বাকি নেই কারো। মূলত এই পোস্টের সূত্র ধরেই সামাজিকমাধ্যমে বিভিন্ন গ্রুপে তোপের মুখে পড়েন ভাবনা। এমনকি সেই পোস্টের মন্তব্যঘরেও নেতি বাচক কথা বলতে থাকেন অনেকে। হাহা রিয়্যাক্টে ভরিয়ে দেওয়া হয় ভাবনার পোস্ট।
ভাবনার এই পশুপ্রেম ভালভাবে নিতে পারে নি অনেক নেটিজেনরা। বরং তাকে সবচেয়ে বড় হিপোক্রেট বলছেন তারা। কারণ তিনি নিজে বিভিন্ন রেস্তুরায় মাংস খাওয়ার ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে বিফ স্টেক, বিরিয়ানি সহ বিভিন্ন খাবার সামনে নিয়ে ছবি তুলছেন তিনি। এছাড়া ভাইরাল হওয়া পোস্টের স্ক্রিনশটগুলোতে দেখা যায় বন্ধুর কাছে কাছে পুরান ঢাকার তেহেরি ও গরুর মগজ খাওয়ার আবদার জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে দেয়া সাক্ষাৎকারে নিজের হাতে গরুর মাংস রান্নার কথাও জানিয়েছেন তিনি। সেখানে তাকে বলতে শোনা যায় তার বাসায় সকলেরই পছন্দ গরু। তারা সবাই গরু খোর। কভিডের সময় সে নিজে গরুর মাংস রান্না করে খাওয়িছেন বাসার সবাইকে।
সাম্প্রতিক সময়ে দর্শক মহলে তেমন একটা বিবেচনায় নেই ভাবনা, এমন মূহর্তে এই বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের কারণে ভাবনাকে সোস্যাল মাধ্যমে বয়কটেরও ডাক দিয়েছেন কেউ কেউ।
তবে এমন সমালোচনায় বিদ্ধ হবার পর তিনি এর ব্যাখা দিয়ে আরেকটি সূদীর্ঘ পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেন, আমি কোথাও লিখিনি আমি গরুর মাংস খাই না, বা বলিনি আপনারা গরুর মাংস খাবেন না, একটি প্রাণীর কান্না দেখে যে কেউ কেঁদে উঠতে পারেন, এটাই স্বাভাবিক। আর আমি প্রকৃতিপ্রেমী বা প্রাণীপ্রেমী কি না সেটার প্রমাণ আমি কোথাও দেব না।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
