জুলাই সনদের পর জানাব কখন নির্বাচন চাচ্ছি: নাহিদ

জুলাই সনদের পর জানাব কখন নির্বাচন চাচ্ছি: নাহিদ

নবকণ্ঠ ডেস্কঃ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জুলাই সনদ কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিরোধিতা করেছে। দলটির মতে, সংস্কার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলে গণতান্ত্রিক রূপান্তর ব্যাহত হবে।

সোমবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠকে এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম এই অবস্থান স্পষ্ট করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি তার দলের তিনটি জরুরি দাবি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেছেন, ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষ থেকে তিনটি বিষয়ে কথা বলেছি। সরকারের যে প্রতিশ্রুত জুলাই ঘোষণাপত্র দেওয়ার কথা ছিল তার অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চেয়েছি। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যেই যেন জুলাই ঘোষণাপত্র জারি করা হয় তার জন্য জোর আহ্বান জানিয়েছি। দ্বিতীয়ত আমরা বলেছি— জুলাই মাসে আমাদের গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি হবে। ৫ আগস্টের আগেই জুলাই মাসের মধ্যেই যেন জুলাই সনদ কার্যকর করা হয়।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, যেসব রাজনৈতিক দল দ্রুত নির্বাচন চাচ্ছে আমরা তাদের প্রতি এবং সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানিয়েছি— ১৬ বছর আমরা অপেক্ষা করেছি, ১০ মাস অপেক্ষা করেছি, আরও দুই মাস যেন অপেক্ষা করতে চাই। সরকারকে সময় দিতে চাই সব রাজনৈতিক দল মিলে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই সনদের মাধ্যমে দেশের মানুষ ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা এবং শাসন কাঠামো দেখতে চান। জুলাই সনদ হওয়ার আগে যেন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না করা হয়। জুলাই সনদ হওয়ার পর আমরা আমাদের দলীয় মতামত জানাব কোন সময় নির্বাচন চাচ্ছি।

এনসিপির এই দাবি রাজনৈতিক সংকট সমাধানে “সংস্কার-প্রথম” নীতির প্রতি তাদের অঙ্গীকার প্রতিফলিত করে। জুলাই সনদকে তারা একটি রূপান্তরমূলক দলিল হিসেবে দেখছে, যা নির্বাচনের আগে শাসন কাঠামো ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করবে। সরকার ও অন্যান্য দল এখন এই প্রস্তাবনা নিয়ে কী সাড়া দেয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

 

-191

 

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.