ফ্রান্সের স্বাস্থ্য পাস এখন কঠিন ভ্যাকসিন পাস; যা যা খেয়াল রাখতে হবে

ফ্রান্সের স্বাস্থ্য পাস এখন কঠিন ভ্যাকসিন পাস; যা যা খেয়াল রাখতে হবে

ফ্রান্সের স্বাস্থ্য পাস এখন কঠিন ভ্যাকসিন পাস; যা যা খেয়াল রাখতে হবে
ফ্রান্সের স্বাস্থ্য পাস এখন কঠিন ভ্যাকসিন পাস; যা যা খেয়াল রাখতে হবে

নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ফ্রান্সের নিম্নকক্ষ রবিবার কোভিড -১৯ মহামারী মোকাবেলায় সরকারের সর্বশেষ পদক্ষেপের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো ভ্যাকসিন পাস যা রেস্তোরাঁ, ক্রীড়াঙ্গন এবং অন্যান্য স্থান থেকে টিকাবিহীন লোকদের বাদ দেওয়ার জন্য ব্যবহার হবে।
বর্তমান স্বাস্থ্য পাসটি ১৬ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য একটি “ভ্যাকসিন পাস” এ রূপান্তরিত হবে। কেউ জাল পাসের সাহায্য নিলে তার জন্য কঠিন শাস্তিগুলো কি হবে তা এই সপ্তাহের শেষে জাতীয় পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হবে।
বিতর্কিত এই বিলটির পক্ষে ২১৫ টি ভোট দেওয়া হয়েছে এবং বিপক্ষে ৫৮ টি ভোট দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে আইনটি কার্যকর হওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে।

এই বিলটির কয়েকটি প্রধান বিধান নিচে দেওয়া হলো:

আসন্ন আইনের 1 ধারা অনুযায়ী ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী লোকেদের অবকাশ কার্যক্রম, রেস্তোরাঁ এবং পাবগুলিতে (কালেক্টিভ ক্যাটারিং ব্যতীত), মেলা, সেমিনার এবং ট্রেড শোর প্রবেশ সুবিধা পাওয়ার জন্য, বর্তমান স্বাস্থ্য পাসের পরিবর্তে কোভিড-১৯ টিকা দেওয়ার প্রমাণপত্র দেখাতে হবে। পাশাপাশি দূরপাল্লার পাবলিক ট্রান্সপোর্টে (বিমান, ট্রেন, বাস) প্রবেশ সুবিধা পাওয়ার জন্যও এই নিয়ম প্রযোজ্য।

তবে ‘জরুরি পারিবারিক কারণে বা স্বাস্থ্যের কারণে ভ্রমণ’ এর ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিন পাস নিয়মের ব্যতিক্রম রয়েছে।
নির্দিষ্ট সেক্টরের কর্মচারীদের নির্দিষ্ট শর্তের অধীনে এই জাতীয় পাসের প্রয়োজন হবে।

১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী অপ্রাপ্তবয়স্কদের অবসর কার্যক্রম, রেস্তোরাঁ এবং বার, মেলা বা আন্তঃআঞ্চলিক পাবলিক ট্রান্সপোর্টে প্রবেশ সুবিধা পাওয়ার জন্য বর্তমান স্বাস্থ্য পাস উপস্থাপন করতে হবে।

নতুন এই ভ্যাকসিন পাস পেতে ভ্যাকসিন অনুযায়ী দুটি বা একটি ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে। ১৫ ফেব্রুয়ারী থেকে, পূর্বের ডোজের চার মাস পর বুস্টার ডোজ গ্রহণ করতে হবে এই ভ্যাকসিন পাসটি বৈধ রাখতে চাইলে।

নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে, ‘জনস্বাস্থ্যের প্রয়োজনে’ টিকা দেওয়ার প্রমাণপত্র এবং করোনা টেস্টের একটি নেগেটিভ ফলাফল উভয়ই উপস্থাপন করতে হতে পারে।

টিকা না দেওয়া লোকেদের জাল স্বাস্থ্য পাস কেনার উদ্বেগজনক রিপোর্টের কারণে নতুন আইনে অপরাধীদের দমন করার জন্য কঠোর বিধান রয়েছে।

প্রতারণামূলকভাবে অন্য কারোর পাস উপস্থাপন করা এবং অন্য কাউকে পাস দেওয়া প্রথম অপরাধের জন্য ১ হাজার ইউরো জরিমানার বিধান রয়েছে।

বেশ কয়েকটি মিথ্যা পাস রাখার জন্য পাঁচ বছরের জেল এবং ৭৫ হাজার ইউরো জরিমানা হতে পারে।
ভ্যাকসিন পাসের প্রয়োজন এরূপ প্রতিষ্ঠানের মালিক এবং অপারেটররা যদি নিয়ম বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয় তাহলে তারা ১ হাজার ইউরো জরিমানা দিতে বাধ্য হবে।

যে সংস্থাগুলি ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নিয়ম মেনে চলতে ব্যর্থ হয়, তাদেরকে প্রতি কর্মী প্রতি ৫শ’ ইউরো থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ইউরো পর্যন্ত প্রশাসনিক জরিমানা করা হতে পারে।

 

 

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.