সুন্দরবন রক্ষায় ইউনেস্কোতে প্রশংসিত বাংলাদেশ, ধন্যবাদ জানালেন রাষ্ট্রদূত এম তালহা

সুন্দরবন রক্ষায় ইউনেস্কোতে প্রশংসিত বাংলাদেশ, ধন্যবাদ জানালেন রাষ্ট্রদূত এম তালহা

সুন্দরবন রক্ষায় ইউনেস্কোতে প্রশংসিত বাংলাদেশ, ধন্যবাদ জানালেন রাষ্ট্রদূত এম তালহা
সুন্দরবন রক্ষায় ইউনেস্কোতে প্রশংসিত বাংলাদেশ, ধন্যবাদ জানালেন রাষ্ট্রদূত এম তালহা

নবকণ্ঠ ডেস্কঃ সুন্দরবন রক্ষায় বাংলাদেশের প্রশংসা করায় ইউনেস্কোর প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম তালহা। সুন্দরবনকে রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের ফলে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের এ প্রশংসা করা হয়।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির চলমান ৪৫ তম বর্ধিত সভায় বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করেছে বিশ্ব ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত ইউনেস্কোর সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী পরিষদ। গত এক দশক ধরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সম্পদ ও ঐতিহ্য সুন্দরবনকে রক্ষায় বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যা ইউনেস্কোর দৃষ্টি কেড়েছে।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত এম তালহা বিশ্ব ঐতিহ্য পরিষদের সকল সদস্যদেকে বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ হতে ধন্যবাদ প্রদান করে বলেন, এ অর্জন বিগত দেড় দশক ধরে বৈশ্বিক জলবায়ু সংরক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অগ্রণী নেতৃত্বের আরো একটি স্বীকৃতি।
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই স্বীকৃতি বাংলাদেশকে তার টেকসই উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এ সভায় রামপাল বিদ্যুতকেন্দ্র সহ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে টেকসই উন্নয়ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তবে, উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ড বজায় রাখার পরামর্শ ও দিয়েছে এই পরিষদ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পক্ষ হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফারহিনা আহমেদ, নৌপরিবহন সচিব মোস্তফা কামাল, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ফাইয়াজ মুরশিদ কাজী সহ একটি কার্যকরী দল বাংলেদেশের কারিগরী অবস্থান নির্ধারণে নিরলস কাজ করেন এবং
ইউনেস্কোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিকে কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্ব প্রদান করেন।

ইউনেস্কোর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন দেশের স্থায়ী প্রতিনিধিগণ বাংলাদেশের এই অর্জনকে অনুকরণীয় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে মনে করেন।

২০১৩ সালে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকা রামপালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে নির্মিতব্য কয়লা ভিত্তিক সুপার তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। এই বিতর্ক ইউনেস্কোর এই পরিষোদের মধ্যেও উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
ফলে, ২০১৩ সাল থেকে আজ পর্যন্ত সাত বার বাংলাদেশ সংরক্ষণ প্রতিবেদন পেশ করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। কিন্তু এখন থেকে আগামী ২০২৯ সাল পর্যন্ত মোট পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশ এই প্রতিবেদন প্রদানের বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্তি লাভ করেছে।

-311

 

নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *