
এন আই মাহমুদঃ ইউরোপে প্রবাস জীবনে ব্যবসা বাণিজ্য সহ পেশা ও দক্ষতা নির্ভর কার্যক্রমের মাধ্যমে ইউরোপের অর্থনীতে বাংলাদেশীদের অবদানকে উল্লেখযোগ্য করে তুলছেন প্রবাসী বাংলাদেশীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ। অর্থনৈতিক এ সকল অবদানের পেছনে উদ্যোক্তারা দীর্ঘ পরিশ্রমের পথ পাড়ি দিয়েছেন। তাদের সাফল্য দিন দিন ইউরোজোনে সামাজিকভাবে প্রশংসা কুড়িয়ে যাচ্ছে।
এমন একজন সাফল্যগাঁথা রয়েছে দ্রো শহর নিবাসী হ্যাপি রহমানের। প্রায় ৮ বছর যাবত ফ্রান্সে বসবাস করে আসছেন তিনি। এক সময় নিজেই নিজের সময় গুলোকে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তা উপলদ্ধি করেন।

বিউটিফিকেশনের কাজটি আগে থেকেই জানতেন অনেকটা হ্যাপি।
শুরুতে অন্য খাতে কর্ম শুরু করলেও এ ব্যাপারে ভেবে দেখলেন, চেষ্টা করলে নিজের পছন্দের কাজে তিনি অনেক ভাল করতে পারবেন এমন আত্মবিশ্বাস কাজ করছে। সঙ্গে ছিল স্বামীর উৎসাহ ও সহযোগিতা। অবসর সময়কে কাজে লাগানো ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য তিনি নিজের পছন্দের কাজটিই বেছে নেন।
গড়ে তোলেন “হ্যাপি স্যালোন ডি বিউটি”। শুরুতে একাই চালালেও চাহিদার আবর্তে একজন ফরাসী ও একজন আরবী কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন। হ্যাপীর কথায়, শুরুর তুলনায় এখনকার সাড়া পাওয়ার পরিমান সত্যিই উল্লেখযোগ্য। এখন আশেপাশের গ্রাহকরা একনামেই চেনেন তার বিউটি পার্লার।
কমিউনিটির উদ্দ্যেশ্যে তিনি বলেন, “বাংলাদেশী কমিউনিটিতে বেশীরভাগ নারীরা তাদের জন্য কোনো কর্মসংস্থান নেই বলে হতাশাগ্রস্ত হয়ে ঘরে বসে অলস সময় কাটিয়ে থাকেন। বেশীর ভাগ সময় ‘অলস সময়ের ইতিবাচক ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। এর চেয়ে, সময়টুকু কাজে লাগালেই তা ইতিবাচক প্রভাব আনতে পারে বাংলাদেশী নারীদের জীবনে।”
নিজ প্রতিষ্ঠানে বিদেশীদের কর্মসংস্থান করে অন্যদের উৎসাহ দিয়ে চলেছেন- এভাবেই দ্রো শহরে আলো ছড়িয়ে চলেছেন তিনি।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
