নবকণ্ঠ ডেস্কঃ সম্প্রতি বেসরকারি সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) এর ‘নো ওয়ান কেইম টু আওয়ার রেসকিউ’ (আমাদের উদ্ধারে কেউ আসেনি) শীর্ষক এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে যে, শুধুমাত্র চলতি বছরেই ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইউরোপমুখী যাত্রায় প্রতিদিন গড়ে মারা যাচ্ছেন বা নিখোঁজ হচ্ছেন আটজন অভিবাসনপ্রত্যাশী। তারা সকলেই উন্নত জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ন রুটে ঝুঁকিপূর্ন নৌকা অথবা জাহাজ ব্যবহার করে ইউরোপের দেশগুলোর দিকে যাত্রা করে।
সংস্থাটির প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ২০০ জন শিশু, নারী ও পুরুষ প্রাণ হরিয়েছেন কিংবা নিখোঁজ হয়েছেন কেন্দ্রীয় ভূমধ্যসাগরে।
এসব মৃত্যুর জন্য সংস্থাটি ‘সীমান্তে কঠোরতা এবং ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর মৌনতা’ কে দায়ী করে নিন্দা জানিয়েছে।
এমএসএফ পরিচালিত উদ্ধারকারী জাহাজ জিও ব্যারেন্টসের সংগ্রহ করা তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি এই প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে যে, ইউরোপের উপকূলীয় দেশগুলো জেনেশুনে উদ্ধার অভিযানে দেরি করে এবং নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দেখায়। এছাড়াও, অনিরাপদ স্থানে পুনঃস্থাপনের সুবিধা দিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জীবনকে বিপন্ন করে।
গত ২২ নভেম্বর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমএসএফ বলেছে যে, উদ্ধার করার পর মেডিকেল পরীক্ষায় অভিবাসনপ্রত্যাশীদের শরীরের নির্যাতনের প্রমাণও পাওয়া গেছে।
এমএসএফের মেডিকেল টিম জিও ব্যারেন্টসের মাধ্যমে চলতি বছরে উদ্ধার হওয়ার ৩ হাজার ৬৬০ জন অভিবাসীর সঙ্গে কথা বলে আরো জানতে পেরেছে যে, বিপজ্জনকভাবে সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার ফলে অভিবাসীরা বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। যেমন- শরীর পুড়ে যাওয়া, জ্বালানির বিষক্রিয়া, হাইপোথার্মিয়া এবং ডিহাইড্রেশন।
-311
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
