
নবকণ্ঠ ডেস্কঃ বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে জানা গেছে যে, পশ্চিম আফ্রিকার কেপ ভার্দের উপকূলে অভিবাসনপ্রত্যাশী বোঝাই একটি নৌকা ডুবে গেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু সহ ৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও প্রায় ৬০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
ধারণা করা হচ্ছে, নৌকার বেশিরভাগ যাত্রী সেনেগালের। এক মাসেরও অধিক সময় ধরে নৌকাটি সাগরে ছিলো। সেনেগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির মাধ্যমে জানা গেছে যে, নৌকাটির মোট যাত্রী সংখ্যা ছিলো ১০১ জন এবং এটি গত ১০ জুলাই সেনেগাল থেকে ছেড়ে যায়।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে যে, জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মোট চারজন শিশু। এদের বয়স ১২ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। নৌকাটির ব্যাপারে পুলিশ বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে যে, সোমবার নৌকাটিকে প্রথম দেখা যায়। স্পেনের একটি মাছ ধরার নৌকা সাল দ্বীপ থেকে ৩২০ কিলোমিটার দূরে কাঠের এই নৌকাটিকে প্রথম দেখতে পায়। পরবর্তীতে তারা বিষয়টি স্থানীয় কতৃপক্ষকে জানায়।
সেনেগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের দেওয়া বিবৃতিতে আশ্বাস দিয়ে বলেছে যে, জীবিত উদ্ধার হওয়া লোকজনদের প্রত্যাবাসনের জন্য তারা কেপ ভার্দে কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করছে।
এদিকে কেপ ভার্দের কর্মকর্তারা এরূপ ঘটনায় যাতে আর প্রাণহানি না ঘটে সেজন্য অভিবাসন বিষয়ে বিশ্বব্যাপী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
জুলাইয়ের শেষের দিকেও সেনেগালের রাজধানী ডাকার উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। অভিবাসনপ্রত্যাশী বোঝাই নৌকাটি ডুবে যাওয়ার ফলে অন্তত ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটে।
আইওএম-এর রিপোর্ট মতে, ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌছাঁনোর চেষ্টা করতে যেয়ে এই রুটে এই বছরের প্রথম ছয় মাসেই ১২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে অথবা নিখোঁজ হয়েছে। গত বছরও একই রুটে ৫৫৯ জনের মৃত্যু হয়। তারাও ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলো বলে জানা যায়।
-311
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
