
এন আই মাহমুদঃ শনিবার ভোর ৫ টা থেকে ইউক্রেনের শহরগুলো লক্ষ্য করে মিসাইল ও আর্টিলারি আক্রমন শুরু করেছে রাশিয়া। রাতারাতি ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের উপর বোমা হামলা পুনরায় নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদেমির জেলেনস্কি সেলফি-ভিডিও দিয়ে পূর্ণ মাত্রায় জবাব দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা পূনর্ব্যাক্ত করেছেন।
কিয়েভ এর মেয়র কারফিউ জারি করেছেন এবং জনগণকে নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করে নিরাপদ স্থানে থাকতে বলেছেন। আলজাজিরা ও সিজিটিএন এর ফুটেজে দিনের বেলাও একের পর এক মিসাইল হামলা হতে দেখা গেছে।
রাশিয়ান বাহিনী এ আক্রমনে বেসামরিক নাগরিকদের সমান হারে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা ও হত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। নিরাপদ বাসস্থানে চলে যাওয়ার পথে একটি ছোট গাড়ির উপর রাশিয়ান ট্যাংক হামলে পড়ার একটি দৃশ্য সামাজিক মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।
রয়টার্স ও এএফপি’র বরাতে এ পর্যন্ত ইউক্রেনের প্রায় ২০০ বেসামরিক লোকজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যদিও ইউক্রেনের পক্ষ থেকে ৩ হাজারের বেশী রাশিয়ান সৈন্য নিহত হওয়ার দাবী করা হয়েছে। এছাড়া রাশিয়ার ১৬৭ জন সেনাবাহী একটি বিমান ভূপাতিত করার দাবী করা হয়েছে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে।
পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরী তাদের সীমানা খুলে দিয়েছে নিরাপদ আশ্রয় খোঁজা ইউক্রেন ছেড়ে আসা নাগরিক ও বিদেশিদের। বিদেশীদের জন্য প্রথমে ১৫ দিন ভিসামুক্ত প্রবেশ ও অবস্থান সুবিধা সহ নিজ নিজ দেশে প্রস্থানের ব্যবস্থা জোরদার করছে দেশ দু’টি।
শুক্রবার রাশিয়ান বাহিনী কিয়েভ শহর বন্ধ করে দেয়ার পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেন্সকি একটি হুংকার ছোড়া ভিডিও দিয়ে সতর্ক করেছেন, তিনি কিয়েভ ছাড়ছেন না এবং সমুচিত লড়াই চালিয়ে যাবেন।
ইউক্রেনের এ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলে তোলা এক প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভেটো প্রয়োগ করেছে রাশিয়া।
এ আক্রমনের পরে পুতিনকে আর কখনোই বিশ্বাস করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপিয় জোটের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান জোসেফ বোরেল।
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
