নবকণ্ঠ ডেস্কঃ কানাডা ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা করেছে। এই পরিকল্পনার আওতায় আগামী দুই বছরের জন্য স্টাডি পারমিটের সংখ্যা ৩৫% হ্রাস করা হবে। ফলে ২০২৪ সালে অনুমোদিত স্টাডি পারমিটের সংখ্যা প্রায় ৩৬৪,০০০ এ সীমাবদ্ধ থাকবে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৩৫% কম।
এই পরিকল্পনার মূল কারণ হল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ধারণক্ষমতা, হাউজিং ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর চাপ কমানো। এছাড়াও, কিছু প্রাইভেট কলেজের নিম্নমানের শিক্ষা ও অতিরিক্ত শিক্ষার্থী গ্রহণের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যেসব শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি হবেন, তাদের এই কাপে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। এছাড়া, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরাও এই কপের বাইরে থাকবেন। বিভিন্ন প্রদেশে আলাদা আলাদা কপ বসানো হবে, যেখানে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী বৃদ্ধির হার আছে সেসব প্রদেশে কপ বেশি প্রভাব ফেলবে।
এছাড়াও, পোস্ট-গ্রাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিট (PGWP) এর যোগ্যতাতেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে শুরু হওয়া প্রাইভেট কলেজের শিক্ষার্থীরা আর এই পারমিটের জন্য যোগ্য হবেন না। মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্নকারীরা তিন বছরের PGWP পেতে পারেন।
এছাড়াও কানাডার স্টুডেন্ট ভিসা পেতে জটিলতা বেশ পুরোনো সমস্যা। বেশ কিছু কারণে এই প্রক্রিয়াটি আরো জটিল হতে পারে, যার মধ্যে অন্যতম হলো যথাযথ প্রয়োজনীয়তা পূরণ না করা এবং আর্থিক সমর্থনের অভাব। ২০২৩ সালের তুলনায় ভিসা প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু পরিবর্তন ও কঠোরতা আনা হয়েছে, যা বাংলাদেশি আবেদনকারীদের জন্য জটিলতা বৃদ্ধি করেছে।
এই পরিবর্তনগুলো আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কানাডায় পড়াশোনা করার পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে যারা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি হতে চান। তবে মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের ওপর এর প্রভাব কম থাকবে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
