নবকণ্ঠ ডেস্কঃ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন যে তিনি ইউক্রেনে সৈন্য মোতায়েনের সম্ভাবনার জন্য উন্মুখ ছিলেন। যদি পরিস্থিতির প্রয়োজন হয়, এই বিষয়টি তিনি আবার বিবেচনায় রাখবেন।
সেটি নির্ভর করছে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধের গতি-বিধির উপর। যদি রাশিয়া ইউক্রেনের ফ্রন্ট লাইন লঙ্ঘন করে এবং কিয়েভ আনুষ্ঠানিকভাবে সহায়তার অনুরোধ করে তবে জোরালো পদক্ষেপের গ্রহণের ক্ষেত্রে ভেবে দেখবে ফ্রান্স। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ইকোনমিস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলা হয়।
ম্যাক্রোঁর মন্তব্যটি সম্প্রতি প্রদত্ত একটি উল্লেখযোগ্য বক্তৃতার পরে এসেছে, যেখানে তিনি ইউরোপের দুর্বলতা এবং রাশিয়ান আগ্রাসনের দ্বারা সৃষ্ট অস্তিত্বের হুমকির উপর জোর দিয়েছিলেন, বিশেষত ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেনে আক্রমণের পর থেকে।
এসময় তিনি পশ্চিমা সৈন্যদের সম্ভাব্য মোতায়েনের বিষয়কে ইতিবাচক হিসবে দেখেন। ম্যাক্রোঁ জোর দিয়েছিলেন যে পরিস্থিতির অপ্রত্যাশিত প্রকৃতির কারণে তিনি কোনও বিকল্প ছাড় দিচ্ছেন না।
বিশ্লেষকদের মধ্যে জল্পনা রয়েছে যে রাশিয়া ইউক্রেনে নতুন আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ম্যাক্রোঁ জোর দিয়েছিলেন যে রাশিয়া যদি তার কর্মকাণ্ড বাড়ায়, তবে এটি সৈন্য মোতায়েনের বিষয়ে পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটি সম্মিলিত পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্ররোচিত করবে। তার অবস্থানকে তার প্রতিপক্ষের জন্য একটি কৌশলগত সংকেত হিসাবে চিহ্নিত করা যায়।
তিনি রাশিয়াকে এই অঞ্চলে একটি অস্থিতিশীল শক্তি এবং ইউরোপীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসাবে চিত্রিত করেছেন। ইউক্রেনে রাশিয়ান সাফল্য রোধ করার কৌশলগত লক্ষ্যের রূপরেখা দিয়েছেন।
ম্যাক্রোঁ হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে যদি রাশিয়া ইউক্রেনে জয়লাভ করে তবে এটি সমস্ত ইউরোপের নিরাপত্তাকে বিগ্নিত করবে। প্রতিবেশী দেশ যেমন মোলডোবা, রোমানিয়া, পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া এবং অন্যান্যদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হবে।
-191
নিউজের ©সর্বস্বত্ব নবকণ্ঠ কর্তৃক সংরক্ষিত। সম্পূর্ণ বা আংশিক কপি করা বেআইনী , নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

